বিশেষ প্রতিনিধি, মোঃ মনির।।
স্টাফ রিপোর্টার
গত ৮ ই ফেব্রুয়ারি সকাল ৮ টায় জেলা পরিষদের ভেতর থেকে প্রায় ২০ ভ্যান মেহেগুনি গাছের গুঁড়ি বোঝাই করে নিয়ে যাচ্ছে, মোবাইল ফোনে এমন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা পরিষদ খুলনার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর আসলাম শেখ জেলা পরিষদে উপস্থিত হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসলাম শেখ দেখেন ২০ ভ্যান বোঝাই করে মেহেগুনি গাছের গুঁড়ি নিয়ে যাচ্ছে। গাছগুলো টেন্ডার হয়েছে কিনা জানার জন্য তিনি তখন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ও নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে মোবাইল মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে কিন্তু কর্মকর্তাদ্বয় ফোন রিসিভ না করায় তিনি তখনই প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে। ঘটনাস্থলে তিনি জেলা পরিষদের অফিস পিয়ন খোকনকে দেখতে পান। খোকনের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা সবকিছু জানেন তিনি গাছগুলো আমাকে নিতে বলেছেন। পরবর্তীতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব অফিসে এসে দুইজনকেই ডাকেন। খোকন বিষয়টি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব এর কাছে স্বীকার করেন। এ সময় মাহবুব খোকনকে বকাঝকা করে ছেড়ে দেয়। সরকারি সম্পদ আত্মসাথের এমন বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে আসলাম শেখ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে জেলা পরিষদের ৪ লক্ষাধিক টাকার গাছ চুরি করে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি মৌখিক ভাবে বিষয়টি জানায়। কিন্তু প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বিষয়ে চুপ থাকেন। বিষয়টি নিয়ে কয়েক দিন পর অফিসে আসলাম এবং খোকনের মধ্যে হট্টগোল হলে পরে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসলাম শেখ কে চুরির ঘটনাটি লিখিতভাবে জানানোর জন্য বলেন আসলাম শেখ লিখিতভাবে অভিযোগটি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দায়ের করেন।
গাছ চুরির বিষয়টি নিয়ে আসলাম শেখ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন বিষয়টি আমি শোনার পর খোকনকে বকাঝকা করেছি খোকন আমাকে জানিয়েছে সে ৫ ভ্যান মেহেগুনি গাছের জ্বালানি নিয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আসলাম শেখের অভিযোগে গাছ চুরির বিষয়টির তদন্ত চলমান রয়েছে। ঘটনা সাথে জড়িত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।