বিশেষ প্রতিনিধি, মোঃ মনির।।
নিজস্ব প্রতিবেদক ://
গত ১৭ জানুয়ারি বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামাবাদ গ্রামে রুমিন ফারহানা ৪০০-৫০০ লোকের উপস্থিতিতে বৃহৎ স্টেজ নির্মাণ করে নির্বাচনী জনসভা করেন এবং মাইক ব্যবহার করে বক্তব্য দেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধিমালা ২০২৫-এর পরিপন্থী।
ওই সময় মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ বন্ধ করার নির্দেশ দিলে রুমিন ফারহানা তাঁর সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। তিনি ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বলেন, “আমি যদি না বলি এখান থেকে বের হতে পারবেন না, মাথায় রাইখেন। আজকে আমি আঙ্গুল তুলে বলে গেলাম ভবিষ্যতে শুনব না”।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, তিনি তাঁর কর্মীদের নিয়ে 'মব' সৃষ্টি করে বিচারিক কাজে বাধা দিয়েছেন এবং জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছেন।
📅 আদালতের নির্দেশ:
কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান স্বাক্ষরিত নোটিশে রুমিন ফারহানাকে আগামী ২২ জানুয়ারির মধ্যে বা তার আগে সশরীরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
🔍 রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপি তাদের জোটসঙ্গী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীবকে সমর্থন দিয়েছে। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে এই আসনে বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি ইতিমধ্যে তাদের কেন্দ্রীয় সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। এর ফলে আসনটিতে নির্বাচনী লড়াই এখন ত্রিমুখী রূপ নিয়েছে।