”পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ”
সাইদ ভূইয়া সিনিয়র ষ্টাফ রির্পোটার : পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ পরস্পর সহযোগিতার বিষয়ে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য গত ২২ অক্টোবর-২০২৪ইং বিকাল ৪ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির আয়োজনে যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়িতে কমিউনিটি পুলিশিং ও নাগরিক সমাবেশ করেন।
সমাবেশে সর্বস্থরের পেশাজীবি, শ্রমজীবি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতাকর্মী ও গন্যমান্য ব্যক্তিগন উপস্থিত ছিলেন। তাহারা যাত্রাবাড়ী থানার বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং অপরাধমুক্ত করার জন্য বক্তব্য রাখেন। ফুটপাত এবং রোড দখল করে হাকরী, যানজটমুক্ত করার বিষয়গুলোও আলোচনায় তুলে ধরেন। সমাবেশে প্রধান অথিতি ছিলেন মোঃ ছালেহ উদ্দীন [অতিরিক্ত ডিআইডি পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত] ডিসি ওয়ারী বিভাগ, ডি.এম.পি, যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মোঃ ফারুক হোসেন, যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ হাসান বশির ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থি ছিলেন। যাত্রাবাড়ী থানার ওসি এবং যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মূল্যবান বক্তব্য রাখেন, যাত্রাবাড়ী থানা বি.এন.পির সাংগঠনিক সম্পাদক ইরফাত হোসেন, সদস্য মোরশেদ আলম, সমাজ সেবক আল-হেরা, জামায়াত ইসলামের নেতা রাকিব উদ্দীন মাস্টার, নেতা মিজানুর রহমান ভান্ডারী প্রমুখ।
অতিমূল্যবান বক্তব্য রাখেন মিজানুর রহমান ভান্ডারী তিনি বলে-আমার দলের কেউ যদি অপরাধ করেন তাহলে আমাকে আগে ধরবেন। আমি অপরাধ করলে আমাকেও ধরবেন। সর্বদলীয় নেতা-কর্মী ও জনগন আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন এবং অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী পুলিশ বাহিনীকে সার্বিক সহযোগিতা করিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন বলে আশ্বস্ত করেন। প্রধান অথিতি ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোঃ ছালেহ উদ্দীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনের জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশেনামূলক বক্তব্য রাখেন এবং তা বাস্তবায়নে নাগরিকদের আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন শান্তি শ্ঙ্খৃলা নিরাপত্তার জন্য ছিনতাই, মাদক, জুয়া এবং অন্যান্য অপরাধ বন্ধ করার জন্য জিরো টলারেন্স অব্যহত থাকবেন। যৌন ব্যবসায়ী আবাসিক হোটেলে রেট দিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে আনার জন্য পুলিশ সদস্যদেরকে নির্দেশ করেন। এ সকল অপরাধীদেরকে গ্রেফতারের জন্য বিকাল ৫টা থেকে রাত ১২পর্যন্ত ৪/৫পুলিশ গাড়ি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ডিউটি করার জন্য থানা কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ করেন। কমিউনিটি পুলিশ কমিটি গঠন করার জন্য সর্বস্তরের পেশাজীবি, সমাজ সেবকদেরকে নিয়ে কমিটি গঠন করার জন্য পরামর্শ দেন। অপরাধীদের নামের তালিকা থানা এবং পুলিশ ফাঁড়িতে জামা দেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। অপরাধীর পক্ষ হয়ে কেউ যেন থানা এবং পুলিশ ফাঁড়িতে না আসেন। সর্ব সাধারনের সার্বিক সহযোগীতা একান্তভাবে কামনা করেন। উল্লেখিত তারিখ রাতে ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোঃ ছালেহ উদ্দীন সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এলাকা পর্যবেক্ষন করেন। ঐ দিন থেকেই ওয়ারী বিভাগের থানা এলাকায় পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের সক্রিয় ভুমিকা দেখা যায়।
বিষয়টি উল্লেখ্য যে, যে কোন ধরনের অপরাধী অপরাধ বিষয় তথ্য গোপনে বা প্রকাশ্যে সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদেরকে হেনাস্থা এবং চাদাবাজ বলে আখ্যায়িত করে হুমকি দেওয়া হয়। সাংবাদিকরা অপরাধীর তথ্য প্রকাশ করতে মিথ্যা হুমকির শিকার হয় এ বিষয়ে সাংবাদিকদের করণীয় কি? এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রতি যথাযথ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি একান্ত প্রয়োজন।