প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতের মধ্যে ৭৪ জন নারী ও ৬৬ জন শিশু রয়েছে। ২০৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ১৯৬ জন, যা মোট নিহতের ৪১.৭৯ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪৬.৯৫ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছে, যা মোট নিহতের ২১.৭৪ শতাংশ।
বিশেষ প্রতিনিধি, মোঃ মনির।।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতের মধ্যে ৭৪ জন নারী ও ৬৬ জন শিশু রয়েছে। ২০৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ১৯৬ জন, যা মোট নিহতের ৪১.৭৯ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪৬.৯৫ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১০২ জন পথচারী নিহত হয়েছে, যা মোট নিহতের ২১.৭৪ শতাংশ।
যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছে ৬৭ জন, যা মোট নিহতের ১৪.২৮ শতাংশ। এ ছাড়া গত মাসে চারটি নৌ দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছে। ২১টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছে। ৯টি জাতীয় দৈনিক, সাতটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৭৩টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৬২টি আঞ্চলিক সড়কে, ৬৪টি গ্রামীণ সড়কে, ৩৮টি শহরের সড়কে এবং ছয়টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে। সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে ভোরে ৫.৪১ শতাংশ, সকালে ২৬.৬৩ শতাংশ, দুপুরে ১৬.৯৩ শতাংশ, বিকেলে ১৫.৫৭ শতাংশ, সন্ধ্যায় ৯.২৫ শতাংশ এবং রাতে ২৬.১৮ শতাংশ।
ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৩১টি দুর্ঘটনায় ১৪৪ জন নিহত হয়েছে। সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২২টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন নিহত হয়েছে। একক জেলা হিসেবে চট্টগ্রাম জেলায় ৩৪টি দুর্ঘটনায় ৩৯ জন নিহত হয়েছে।
সবচেয়ে কম মাগুরা, ঝালকাঠি, বরগুনা ও পঞ্চগড় জেলায়। এই চারটি জেলায় কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটলেও কারো প্রাণহানি ঘটেনি।