ঢাকা | বঙ্গাব্দ

কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে দু’বাংলাদেশি নিহত

  • আপলোড তারিখঃ 16-07-2024 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 729796 জন
কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে দু’বাংলাদেশি নিহত ছবির ক্যাপশন: কোম্পানীগঞ্জ সিমান্ত, সিলেট।
স্টাফ রিপোর্টার:

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে কাঠ আনতে গিয়ে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে দু’বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। ঘটনার ২৩ ঘণ্টা পর গতকাল সন্ধ্যায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ’র পক্ষ থেকে লাশ দু’টি বিজিবি’র কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহত দুই বাংলাদেশি হলেন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালাইরাগ করবলাটুক গ্রামের আলী হোসেন ও কাউছার আহমদ। রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার নাজিরেরগাঁও কাওয়ারটুক ১২৫৩ পিলারের ওপারে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত কাওছার, আলী হোসেন ও নবী হোসেনসহ কয়েকজন সীমান্তের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে কাঠ আনতে যায়। এ সময় ভারতীয় সশস্ত্র খাসিয়ারা তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ সময় নবী হোসেন নামে একজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকতে পারলেও কাউছার ও আলী হোসেন সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। রাতে এ ব্যাপারে বিজিবি’র পক্ষ থেকে বিএসএফ’র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। গতকাল বিএসএফ’র পক্ষ থেকে সাড়া দেয়া হলে দুপুরে এ নিয়ে পতাকা বৈঠক হয়। বিকালে আরেক দফা পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ দু’টি হস্তান্তর করা হয়। নাজিরেরগাঁও সীমান্ত এলাকায় উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষীদের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ হস্তান্তর করা হয় বলে জানিয়েছেন উপস্থিত থাকা স্থানীয় ইউপি মেম্বার জয়নাল আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, পতাকা বৈঠকে বিজিবি ছাড়াও পুলিশ সদস্যরা ও জনপ্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। নিহত কাওছার ও আলী হোসেনের লাশ সীমান্ত পিলারের ২০ হাত দূরে পড়েছিল। এর আগে বিএসএফ’র ডাকে সাড়া দিয়ে বিজিবি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা লাশ দু’টি গিয়ে শনাক্ত করে আসেন। এদিকে, উত্তর রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. ফয়জুর রহমান জানিয়েছেন, ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে আলী হোসেন ও কাওসার নামে দু’জন মারা গেছেন। আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি এবং তাদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে নিহতের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। পরে বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গিয়ে তিনিসহ তার পরিষদের মেম্বাররা লাশ দু’টি শনাক্ত করে আসেন। কাঠ আনতে তারা সীমান্তের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে গিয়েছিলেন বলে জানান ইউপি চেয়ারম্যান। 




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

সায়দাবাদ আন্তঃজেলা ও নগর বাসটার্মিনাল বাস মালিক সমিতির কমিটি ঘোষণা