ঢাকা | বঙ্গাব্দ

স্মার্টফোন ঘুমানোর সময় বিছানায় রাখলে বড় বিপদ হতে পারে।

  • আপলোড তারিখঃ 20-02-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 477427 জন
স্মার্টফোন ঘুমানোর সময় বিছানায় রাখলে বড় বিপদ হতে পারে। ছবির ক্যাপশন: ১

স্মার্টফোন সারাক্ষণ সঙ্গে নিয়ে ঘুরছেন। এমনকি ঘুমানোর সময়ও সঙ্গে রাখছেন। টেক জায়ান্ট অ্যাপল সতর্ক করছে, এমনটা করলে বিপদ হতে পারে। অর্থাৎ স্মার্টফোন ঘুমানোর সময় বিছানায় রাখলে বড় বিপদ হতে পারে।

জেনে নিন কী ধরনের বিপদে মুখে পড়তে পারেন-

অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুন লাগার ঝুঁকি
অ্যাপলের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ফোন চার্জ দেওয়ার সময় সেটি সবসময় টেবিল বা খোলা জায়গায় রাখতে হবে। কম্বল, বালিশ বা নরম পৃষ্ঠে চার্জ করলে তাপমাত্রা বেড়ে আগুন লাগতে পারে।স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর

ফোন চার্জের সময় অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে ত্বকের জ্বালাপোড়া বা ইনজুরি হতে পারে। ফোনের স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো মেলাটোনিন হরমোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়, যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। ২০২০ সালের এক গবেষণা বলছে, ঘুমের আগে ফোন কম ব্যবহার করলে স্মৃতিশক্তি ও ঘুমের মান ভালো হয়।

ক্যানসারের ঝুঁকি
কিছু গবেষণা বলছে, ফোনের বিকিরণ দীর্ঘদিন ধরে শরীরে প্রবেশ করলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। যদিও এ নিয়ে আরও গবেষণা চলছে, তবুও বিশেষজ্ঞরা ফোনকে বিছানা থেকে দূরে রাখার পরামর্শ দেন।

বিপদ এড়াতে যা করতে পারেন-
>> ফোন চার্জ দেওয়ার সময় খোলা ও শীতল জায়গায় রাখুন।
>> ঘুমের অন্তত ৩০ মিনিট আগে ফোন ব্যবহার বন্ধ করুন।
>> ডু নট ডিস্টার্ব মোড চালু করুন, যাতে রাতে বারবার নোটিফিকেশনে ঘুম না ভাঙে।
>> রাতে ফোনকে বিছানা থেকে দূরে রেখে চার্জ করুন, প্রয়োজনে আলাদা চার্জিং স্টেশন ব্যবহার করুন।
>> ফোন অ্যালার্মের জন্য ব্যবহার করেন, তাহলে ওয়্যারলেস অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করা নিরাপদ বিকল্প হতে পারে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন