ঢাকা | বঙ্গাব্দ

টোল আদায়ের নামে চলছে রাম রাজত্ব মোংলা ফেরিতে নির্ধারিত টোলের চেয়ে আদায় করা হচ্ছে ছয় গুণেরও বেশি

  • আপলোড তারিখঃ 29-04-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 349589 জন
টোল আদায়ের নামে চলছে রাম রাজত্ব মোংলা ফেরিতে     নির্ধারিত টোলের চেয়ে আদায় করা হচ্ছে ছয় গুণেরও বেশি ছবির ক্যাপশন: ১




কাইয়ুম খান, 


সড়ক ও জনপথ বাগেরহাটের ইজারকৃত মোংলা ফেরিতে পারাপারে ইজারাদাররা নির্ধারিত টোলের  চেয়ে  ছয় গুণেরও বেশি টোল আদায় করছে বলে ভুক্তভোগীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে দেখা যায়, মোংলা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়নের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য , কৃষি পণ্য, নির্মাণ সামগ্রী সহ দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় সমস্ত উপকরণের প্রায় ৯০ ভাগই পরিবহন হয় ফেরি দিয়ে। ফেরিতে অতিরিক্ত টোল পরোক্ষভাবে সকল সামগ্রীর উপরে বাড়তি যোগ হয়। ফলে নিয়মিতই এটা জনজীবনের উপর অস্বস্তিকর প্রভাব ফেলছে।


ফেরি ঘাটে এক পাড় হতে অন্য পাড়ে যানবাহন পারাপারের সরকার নির্ধারিত টোলের হার, যানবাহনের ধরন ট্রেইলার (বোঝাই /খালি) ১২৫ টাকা, হেভি ট্রাক (বোঝাই/খালি)১০০টাকা, মিডিয়াম ট্রাক (বোঝাই /খালি) ৫০টাকা, বড় বাস (বোঝাই /খালি),৪৫

টাকা, মিনি ট্রাক (বোঝাই /খালি)৪০টাকা, কৃষি খাতে ব্যবহৃত যান (বোঝাই /খালি)৩০টাকা, মিনিবাস/ কোস্টার (বোঝাই /খালি) ২৫টাকা, মাইক্রোবাস (বোঝাই /খালি) ২০টাকা, ফোর হুইল চালিত যানবাহন (বোঝাই /খালি)২০টাকা, সিডান কার (বোঝাই/খালী)১৫টাকা,৩/৪ চাকার মোটরাইজড যান (বোঝাই/ খালি)৫টাকা, দেওয়া থাকলেও আদায় করা হচ্ছে ট্রেইলার (বোঝাই /খালি পারাপারে ১৬০০টাকা,

হেভি ট্রাক (বোঝাই/খালি)

পারাপারে১২০০টাকা,মিডিয়াম ট্রাক (বোঝাই /খালি) পারাপারে ৮০০টাকা,মিনি ট্রাক (বোঝাই /খালি) পারাপারে ৬০০টাকা,মিনিবাস/ কোস্টার (বোঝাই /খালি) , মাইক্রোবাস (বোঝাই /খালি) পারাপারে ২০০টাকা, এভাবে দিনের পর দিন অনিয়ম করে আসছে মোংলা ফেরিঘাটের ইজারাদারের লোকজন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় , ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল এই ফেরি নিয়ন্ত্রণ করে। । বেশ কিছু গাড়ির ড্রাইভার বলেন, আমরা নিয়মিত এই ফেরিতে যাতায়াত করি । অতিরিক্ত ভাড়ার ব্যাপারে অভিযোগ করলে ফেরির লোকজন আমাদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করে। ।প্রত্যেকটি যানবাহন থেকে তারা ছয় গুণেরও বেশি ভাড়া আদায় করে এবং আমরা রশিদ চাইলে তারা যে রশিদ দেয় তাতে কোন ফোন নাম্বার লেখা থাকে না। এছাড়া টোল চার্টে ও ফেরিতে কোন অভিযোগ নাম্বার লেখা নাই । ফলে আমাদের কোন অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকে না।


ফেরিতে ইজারাদারের নিয়োজিত টোল আদায়কারী শহিদুল ও সুমন বলেন, আমরা সুশান্তের নির্দেশনা মতো টোল আদায় করছি। সুশান্তের কাছে এত বেশি বাড়তি টোল আদায় করার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে ছিল  ৩জন এখন হয়েছে বহু জন এ জন্যই ভাড়া এত বেশি নিচ্ছি।


এ বিষয়ে স ও জ বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অতিরিক্ত টোল আদায়ের ব্যাপারে আমি আগেও অভিযোগ পেয়েছি এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সতর্কতা মূলক কয়েকটি নোটিশ পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


সার্বিক বিষয়ে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি বলেন, যদিও বিষয়টি সড়ক ও জনপথ বিভাগের তবুও আমি এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করছি।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন