ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পুড়ছে ঢাকা, জনজীবন দুর্বিষহ

  • আপলোড তারিখঃ 11-05-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 563938 জন
বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পুড়ছে ঢাকা, জনজীবন দুর্বিষহ ছবির ক্যাপশন: ১

মোঃমনিরহোসেন ://

ঢাকায় চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। আজ রোববার (১১ মে) রাজধানীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, চুয়াডাঙ্গা, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই রোদের প্রখরতা বাড়তে শুরু করে। দুপুরের দিকে তা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছায়। রাস্তায় লোকজনের চলাচল ছিল তুলনামূলকভাবে কম। যারা বাইরে বেরিয়েছেন, তাদের অনেকেই মাথায় কাপড় অথবা ছাতা দিয়ে রোদের তাপ এড়ানোর চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষরা। রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও দিনমজুররা জীবন ও জীবিকার তাগিদে তীব্র রোদ উপেক্ষা করে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

বিমানবন্দর বাসস্ট্যান্ডে পানির বোতল বিক্রেতা কামরুল ইসলাম জানান, বারবার শরীর ঘামে ভিজে যাচ্ছে। মাথার ওপর রোদ যেন আগুনের মতো পড়ছে। আমার নিজেরই শরীর খারাপ লাগছে, মাথা ঘুরছে। আমি নিজেই তিন বোতল পানি খেয়ে ফেলেছি। গরমে একদম টিকতে পারছি না।

রিকশাচালক আজিজ মিয়া বলেন, সকাল থেকে শুধু পানি খাচ্ছি। খেতেও পারছি না, কাজও ছাড়তে পারছি না। রোদে বের হলেই মাথা ঘোরে।

অন্যদিকে, চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ঢাকার রাস্তার পাশের ঠান্ডা শরবতের দোকানগুলোতে ভিড় বেড়েছে। বিশেষ করে বেল, লেবু ও তোকমা শরবতের বিক্রি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

খিলক্ষেত বাসস্ট্যান্ডের শরবত বিক্রেতা আবুল হোসেন বলেন, এই গরমে মানুষ ঠান্ডা কিছু খুঁজছে। আগের চেয়ে অনেক বেশি বিক্রি হচ্ছে। বেশিরভাগ মানুষই এক গ্লাসের পর আবারও নিতে চাইছে। সকালে বের হলে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিশ্রাম নেই। তারপরও বিক্রি বেশ ভালো।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

আবাসিক হোটেলের আড়ালে অবৈধ দেহ ব্যবসা: প্রশাসনের কড়া নজরদারি দাবি..