ঢাকা | বঙ্গাব্দ

রাঙামাটিতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে প্রার্থীকে হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি

  • আপলোড তারিখঃ 18-01-2026 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 150013 জন
রাঙামাটিতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে প্রার্থীকে হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি ছবির ক্যাপশন: ১


​মোঃ কামরুল ইসলাম , রাঙামাটি  জেলা প্রতিনধি:-

​রাঙামাটিতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এক প্রার্থীকে অপহরণ সদৃশ তুলে নিয়ে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল ১৭ জানুয়ারি রাতে রাঙামাটি সদর থানায় এই মর্মে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী পাহেল চাকমা (৪০)।​জিডি সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে রাঙামাটি কোতয়ালী থানাধীন স্টেডিয়াম মার্কেটে অবস্থিত পাহেল চাকমার নিজ অফিস কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলে করে আসা দুই জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি হঠাৎ তার অফিসে প্রবেশ করে। অভিযোগকারী জানান, ওই ব্যক্তিরা তাকে জোরপূর্বক অফিস থেকে বের করে শহরের ‘ক্যাফে কবরক’ রেস্টুরেন্টে নিয়ে যায়।

​ভুক্তভোগী পাহেল চাকমা অভিযোগে উল্লেখ করেন, রেস্টুরেন্টে নিয়ে যাওয়ার পর ওই দুই ব্যক্তি তাকে আসন্ন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ভবিষ্যতে নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তিনি রাঙামাটি সদর থানায় আইনগত সহায়তা চেয়ে এই ডায়েরি অন্তর্ভুক্ত করেন।​বিষয়টি নিশ্চিত করে রাঙামাটি সদর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, সাধারণ ডায়েরিটি গ্রহণ করা হয়েছে (জিডি নং- ৯৬৭)। ঘটনার তদন্ত এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোয়াই হলা চাক-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

​এই ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ বিরাজ করছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশি তদন্ত চলমান রয়েছে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

ফুল বিজুর মধ্য দিয়ে রাঙামাটিতে বর্ণিল বর্ষবরণ উৎসবের সূচনা