সংগৃহীত খবর ://
আয়নাল হক সোজা হয়ে হাটতে পারেননা, হায়দার আলীর এক পা নেই বাশে ভড় করে হাটেন, শারমিন হক দৃস্টি প্রতিবন্ধী, আব্দুর রশিদের হাতের আঙুল কাটা। এরা সবাই প্রতিবন্ধী হলেও ব্যাংকের দৃষ্টিতে এরা কোটিপতি। এদের নামে রয়েছে ১কোটি ৬১লক্ষ টাকার লোন। সেই লোন শোধ না করার কারনে তারা এখন মামলার আসামী, পুলিশ তাদের খুজছে।
সরেজমিনে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়াতে গিয়ে জানতে পারলাম এরা সবাই ক্ষুদ্র কাজ বা ভিক্ষা করে খায়, কোন দিন ব্যাংকে যায়নি তাদের কোন একাউন্টও নাই । কোন দিন একলাখ টাকা চোখেও দেখেনি তারা। মুলত একজন স্থানীয় সাংবাদিক ও একটি এনজিও কর্মকর্তা মিলে এদের সবাইকে প্রতিবন্ধী ভাতা দেবার কথা বলে এনআইডি সংগ্রহ করে, জালিয়াতি করে এদের নামে ১কোটি ৬১ লাখ টাকা তুলে নেয়। আমি জানিনা ব্যাংক কিভাবে এই লোন অনুমোদন দেয়।
যে মানুষগুলোর কাছে নিজের শরীরটাই একটা বোঝা তাদের উপর আবার কেস মামলা ও কোটি টাকার লোন। দেখুন আমাদের সনাজের শিক্ষিত মানুষরা কি পারে। জানিনা এদের জন্য কি করবো, কিভাবে এদের বাচাবো। আমাকে সহযোগিতা করুন।
বিস্তারিত রিপোর্ট আসছে। এটিএন বাংলায়।