নিজস্ব প্রতিবেদক:///
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার ৫ নং চরমান্দালিয়া ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত হচ্ছে এক তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল সমাজসেবকের নাম। তিনি হলেন চরমান্দালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং বর্তমান ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ সোলায়মান মিয়া।
দীর্ঘদিন ধরে এলাকার তরুণ সমাজকে সাথে নিয়ে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা সোলায়মান মিয়া এবার ইউনিয়নবাসীর সেবা করার প্রত্যয় নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে তরুণ এই প্রার্থীর প্রতি দিন দিন জনসমর্থন বাড়ছে।
জনগণের সেবায় জীবন উৎসর্গ করার অঙ্গীকার:
নিজের রাজনৈতিক ও সামাজিক লক্ষ্য নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে মোঃ সোলায়মান মিয়া বলেন, "আমি কোনো ব্যক্তিস্বার্থ বা ক্ষমতার লোভ থেকে রাজনীতিতে আসিনি। আমার মূল লক্ষ্য হচ্ছে গরিব-দুঃখী ও মেহনতী মানুষের খেদমত করা। সমাজের অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো এবং যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসায় সাধ্যমতো সহযোগিতা করা আমার নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি।"
তিনি আরও বলেন, "চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ যদি আমাকে ভালোবেসে সুযোগ দেয় এবং আল্লাহ পাকের যদি ইচ্ছা থাকে, তবে আমি সমাজ থেকে সব ধরনের অন্যায়-অবিচার দূর করতে নিজের জীবন উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত। আমি চাই না সমাজে কেউ জুলুম বা অত্যাচারের শিকার হোক।"
সরকারি ত্রাণের শতভাগ সুষম বণ্টনের ঘোষণা:
নির্বাচনী অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে গিয়ে মোঃ সোলায়মান মিয়া স্পষ্টভাবে বলেন, "অতীতে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি অনুদান নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। আমি যদি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারি, তবে সরকারের পক্ষ থেকে গরিব-দুঃখী মানুষের জন্য আসা প্রতিটি ত্রাণ বা অনুদান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে এবং শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে প্রকৃত হকদারদের হাতে পৌঁছে দেবো, ইনশাআল্লাহ। আমার ইউনিয়নে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতির স্থান থাকবে না।"
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা:
স্থানীয় ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মোঃ সোলায়মান মিয়া একজন বিনয়ী, সৎ ও কর্মঠ তরুণ নেতা হিসেবে ইতোমধ্যে এলাকায় নিজের এক ভাবমূর্তি তৈরি করেছেন। বিপদে-আপদে তাকে সব সময় পাশে পাওয়া যায়। চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন এবং মেহনতী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সোলায়মান মিয়ার মতো একজন যোগ্য ও দূরদর্শী জনপ্রতিনিধিই এখন সময়ের দাবি।