ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা,স্বর্ণের দুল বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়ে খুনি।

  • আপলোড তারিখঃ 24-03-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 494152 জন
ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা,স্বর্ণের দুল বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়ে খুনি। ছবির ক্যাপশন: ১



আফজাল হোসেন জয়।

বান্দরবান।


বান্দরবানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মো. মারুফ (২৬) নামের এক যুবক কে আটকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।


শনিবার (২২ মার্চ ২৫ইং) মারুফ নামের এই যুবক একটি দোকানে স্বর্ণের কানের দুল বিক্রি করার জন্য গেলে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। পরে যুবক কে কানের দুল নিয়ে চ্যালেঞ্জ করে কোন সদুত্তর না পেয়ে আটক করে গণধোলাই দেয় তারা। এতে মারুফ ঘটনার কথা স্বীকার করে।


স্থানীয়রা জানান, গত কাল বিকেলে বিলের পাড় থেকে গরু আনতে গিয়েছিলেন তৈয়বা বেগম। এরপর আর ফিরে আসেননি। সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা খুঁজতে গিয়ে বিলের পাড়ে তৈয়বার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। লাশের গলায় ও হাতের কবজি কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরিবার সদস্যদের দাবি বাসা থেকে বের হবার সময় তৈয়বা বেগমের কানে স্বর্ণের দুল ছিলো কিন্তু লাশ উদ্ধারের পর কানে দুল পাওয়া যায়নি।


এদিকে পুলিশ সুত্র জানায়, হত্যা করার আগে গৃহবধূ তৈয়বাকে ধর্ষণ করা হয়েছে এবং ধর্ষক কে চিনে ফেলায় প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।


এই বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রায়হান কাজেমী জানিয়েছেন, হত্যাকান্ডের ঘটনায় স্থানীয়রা মারুফ নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। লাশের সুরতহাল তৈরির পর মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি কিভাবে ঘটেছে তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

সায়দাবাদ আন্তঃজেলা ও নগর বাসটার্মিনাল বাস মালিক সমিতির কমিটি ঘোষণা