ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সরকার নির্ধারিত দামে এবারো বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ, রাস্তায় পড়ে ছিল কাঁচা চামড়া

  • আপলোড তারিখঃ 11-06-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 309438 জন
সরকার নির্ধারিত দামে এবারো বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ, রাস্তায় পড়ে ছিল কাঁচা চামড়া ছবির ক্যাপশন: ১

মোঃহারুন স্টাফ ক্রাইম  রিপোর্টার://


চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে কোরবানির পশুর চামড়া কিনে লোকসানে পড়েছেন উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন এবং  দুই পৌরসভার শত শত মৌসুমি ব্যবসায়ী। বিক্রি করতে না পেরে উপজেলার বিভিন্ন বাজার এবং  রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়া চামড়া পচে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। এতে মানুষের চলাফেরা করতে চরম অসুবিধা হচ্ছে। চামড়া বিক্রি করতে না পেরে অনেকে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলেছেন। চামড়া অনেকেই বিক্রি করতে পারেননি। আবার যে সকল মৌসুমি ব্যবসায়ী চামড়া কিনেছেন তাদের অনেককেই লোকসান গুনতে হয়েছে।

মীরসরাই উপজেলার মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী কামরুল হোসেন বলেন, ‘লাভের আশায় চামড়া কিনে উল্টো লোকসান গুনতে হয়েছে। জীবনে আর কোনোদিন এবং ব্যবসা করবো না। সরকারের পক্ষ থেকে বেশি মূল্য নির্ধারণ করায় ২০০ চামড়া ক্রয় করেছি। প্রতি পিস চামড়া ২০০-৩০০ টাকা কিনতে হয়েছে। ঈদে সারা দিন ঘুরে ঘুরে চামড়া সংগ্রহ করে বিকালে বাজারে তোলার পর প্রথম ৪-৫ ঘণ্টা কেউ জিজ্ঞেস করতেও আসেনি। পরে রাতে আমার ছোট ভাই গড়ে ২৫০ টাকা করে লোকসানে সব চামড়া বিক্রি করে দিয়ে কোনোরকম রেহাই পেয়েছি।

শুধু কামরুল নয়, এভাবে চামড়া কিনে লোকসানে পড়েছেন মীরসরাই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন এবং  দুই পৌরসভার শত শত মৌসুমি ব্যবসায়ী। মীরসরাই পৌরসভা এলাকার মোহাম্মদ ননাই বলেন, ‘অর্ধশত চামড়া কিনেছি, পরে লোকসানে পানির দরে বিক্রি করেছি। চামড়া সংগ্রহ করা শ্রমিকের মজুরিও ওঠেনি।’

করেরহাট এলাকার বাসিন্দা কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকার চামড়া সিন্ডিকেট ভাঙতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। ঈদের আগে দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও তা কার্যকর করতে পারেনি। মধ্যখানে কিছু মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের পুঁজি হারাতে হলো। অথচ চামড়াজাত পণ্যের দাম আকাশচুম্বী। এত দামি জিনিসটা সরকার যথাযথ ব্যবহার করতে পারলো না।’ তিনি আরও বলেন, ‘করেরহাট বাজারে ক্রেতার অভাবে চামড়া ফেলে চলে যান ব্যবসায়ীরা। দুদিন ধরে তীব্র গন্ধে বাজারের পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে।’

উপজেলার ডোমখালী এলাকার বাসিন্দা সাদেক হোসেন বলেন, ‘প্রতিবছর দুয়েকশ টাকায় কোরবানি পশুর চামড়া বিক্রি করে থাকি, এবার তো কেউ কিনতেই আসলো না। পরে মাটিতে পুঁতে ফেলতে বাধ্য হয়েছি। সরকার নাকি এবার কোরবানি পশুর চামড়ার দাম বাড়িয়েছেন। উল্টো কেউ কিনতে আসেনি। শুধু আমি নয়, আমার এলাকার অনেকে পশুর চামড়া বিক্রি করতে পারেনি।





কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

রাঙ্গামাটিতে প্রথমবার, উপস্থাপিত হবে ৭০টির বেশি গবেষণাপত্র