ঢাকা | বঙ্গাব্দ

অসাধু মজুদদারের কারসাজি চড়ছে পেঁয়াজের বাজার

  • আপলোড তারিখঃ 08-05-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 562608 জন
অসাধু মজুদদারের কারসাজি চড়ছে পেঁয়াজের বাজার ছবির ক্যাপশন: ১

সংগৃহীতখবর ://চলতি মৌসুমে ভালো উৎপাদন সত্ত্বে¡ও লাফিয়ে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। মৌসুমের শুরুতে ক্ষেত থেকে বিক্রি হয়ে বাজারে আসা পেঁয়াজ কম দামে পাওয়া গেলেও এখন কিনতে হচ্ছে চড়া দামে। কৃষকের পেঁয়াজ ফুরাতেই বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন অসাধু মজুদকারী ও আড়তদাররা। স্থানীয় হাটগুলোতে সক্রিয় তাদের প্রতিনিধিরা। হাট থেকে কম দামে পেঁয়াজ কিনে মজুদ করছেন তারা। বাজারে সরবরাহ কমিয়ে বেশি দামে ছাড়া হচ্ছে সেই পেঁয়াজ। এতে ভরা মৌসুমেও অতিরিক্ত দামে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাকে। দরকারি মসলাজাতীয় এ পণ্যটি কিনতে গিয়ে পকেটে টান পড়ছে তাদের।

জানা গেছে, দেশের মোট পেঁয়াজ উৎপাদনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই পাবনাতে হয়ে থাকে। এবার এই জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩১ হাজার ৮৯৬ মেট্রিক টন বেশি উৎপাদন হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় চলতি বছর চারা পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬ লাখ ৫৯ হাজার ৯৩৭ মেট্রিক টন। উৎপাদন হয়েছে ৬ লাখ ৯১ হাজার ৮৩২ মেট্রিক টন। এখন পর্যন্ত কৃষকের ঘরে পেঁয়াজ মজুদ রয়েছে ৪ লাখ ১৮ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন। দাম বেড়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় অনেক সাধারণ ক্রেতাও বাড়িতে ২ থেকে ৫ মণ পর্যন্ত পেঁয়াজ ক্রয় করে রেখেছেন। ভালো উৎপাদনের পরও স্থানীয় হাটেই পণ্যটি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বলে খোঁজ নিয়ে জেনেছেন আমাদের সময়ের পাবনা প্রতিনিধি। এ অঞ্চলে পাইকারিতে এখন প্রতি মণ পেঁয়াজ ১ হাজার ৭০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি।

পেঁয়াজ উৎপাদনের বড় একটি অংশ আসে রাজবাড়ী থেকে। সেখানেও এবার লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে পেঁয়াজ আবাদ হয়েছে এবং ফলনও সন্তোষজনক। রাজবাড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর ৩৭ হাজার ২৮৩ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ হয়েছে। এ থেকে ৫ লাখ ২৫ হাজার মেট্টিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

আবাসিক হোটেলের আড়ালে অবৈধ দেহ ব্যবসা: প্রশাসনের কড়া নজরদারি দাবি..