ঢাকা | বঙ্গাব্দ

৬ টিভির পর এবার পিনাকী-ইলিয়াস-কনকের ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করল ভারত

  • আপলোড তারিখঃ 11-05-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 509952 জন
৬ টিভির পর এবার পিনাকী-ইলিয়াস-কনকের ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করল ভারত ছবির ক্যাপশন: ১

অনলাইনখবর://

বাংলাদেশের ছয়টি টেলিভিশনের ইউটিউব চ্যানেলের পর এবার অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট, ব্লগার ও লেখক পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসেন, শাহেদ আলম, জুলকারনাইন সায়ের এবং ড. কনক সরওয়ারেরইউটিউব চ্যানেল ব্লক করেছে ভারত।

গতকাল শনিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পিনাকী ভট্টাচার্য।

পিনাকী ভট্টাচার্য তার পোস্টে লিখেন, ‘ভারতে আমার, ইলিয়াসের এবং কনকের ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। ভারতমাতা তার শত্রুদেরকে চিনে।

তিনি আরও লিখেন, ‘বাংলাদেশে কারা পিনাকী, ইলিয়াস আর কনকের শত্রু, তাদেরকে কি এখন চিনতে পারেন?’

একইভাবে ব্লক করা হয়েছে অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট সাংবাদিক শাহেদ আলমের ইউটিউব চ্যানেলটিও। এ নিয়ে তিনি লেখেন, ‘ভারতের দালাল হইয়াও আমি মোদির মন পাইলাম না। পরানের ইন্ডিয়া রে, ব‍্যান খাইলাম তোর কারনে!’

এদিকে সাংবাদিক জুলকারনাইন তার ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘আমার অপরাধটা কিরে ভাই? কবে ইউটিউব চ‍্যানেল একটা খুলছিলাম, তেমন কিছুই পোস্ট করি না, ওইটাও ভরত মাতা তাগো দেশে ব্যান কইরা দিলো।’

এদিকে শুক্রবার ভারত সরকারের অনুরোধে ইউটিউব প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের অন্তত ছয়টি টেলিভিশন চ্যানেল বন্ধ করা হয়। চ্যানেলগুলো হচ্ছে- যমুনা টিভি, একাত্তর টিভি, বাংলাভিশন, মোহনা টিভি, সময় টিভি ও ডিবিসি নিউজ।

ভারতের ইউটিউবে বাংলাদেশি অন্য আরও বেশ কিছু চ্যানেল দেখা গেলেও এই ছয়টি দেখা যাচ্ছে না। এই চ্যানেলগুলোর ব্যাপারে সার্চ করতে গেলেই মেসেজ আসছে, সরকারি নির্দেশে জাতীয় নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলার কারণে এই কনটেন্ট এই দেশে (ভারতে) পাওয়া যাচ্ছে না।

ডিসমিসল্যাবের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইন অনুযায়ী যদি কোনো তথ্য জাতীয় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব কিংবা জনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি বলে মনে করে, তাহলে ইউটিউবকে তা ব্লক করার জন্য আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে দেশটির সরকারের।

এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স জানিয়েছে, তাদের আট হাজার অ্যাকাউন্ট ব্লক করা হয়েছে ভারতে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

জ্বালানি তেলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রায়পুরা উপজেলা প্রশাসন"....