ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পছন্দের ঠিকাদার কাজ না পাওয়ায় ডিএনসিসি) নগর ভবনের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন নুরুল হক নুর

  • আপলোড তারিখঃ 27-05-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 416208 জন
পছন্দের ঠিকাদার কাজ না পাওয়ায় ডিএনসিসি) নগর ভবনের সামনে  বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন নুরুল হক নুর ছবির ক্যাপশন: ১

মোঃমনিরহোসেন ://


নিজের পছন্দের ঠিকাদার কাজ না পাওয়ায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নগর ভবনের সামনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।


আজ বুধবার বিকেলে ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা ফারজানা ববি স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন অভিযোগের কথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক তার পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ আরিফুর রহমানকে চলতি মাসের ১৮ তারিখ ফোন করেন। অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী তাকে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন এবং  পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালার আইনি বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন এবং আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কিছু করার সুযোগ নেই মর্মে বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু নুরুল হক তার কোনো কথা না শুনে তাকে কাজ দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে আর ডিএনসিসির অফিসে তালা লাগানোর হুমকি দেন।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় গুলশান-২ এর নগর ভবনের সামনে কিছু লোক নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের ব্যানারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও ডিএনসিসি প্রশাসকের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। যাতে ডিএনসিসির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজকে অপসারণ এবং  গ্রেপ্তারের দাবিতে নগর ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে গণঅধিকার পরিষদ। পরে সমাবেশ থেকে সরকারকে প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজকে অপসারণ ও গ্রেপ্তার করতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

সায়দাবাদ আন্তঃজেলা ও নগর বাসটার্মিনাল বাস মালিক সমিতির কমিটি ঘোষণা