ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বিক্ষোভের মুখে ৪ ডেপুটি গভর্নরের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত, খোঁজ মিলছে না গভর্নরের

  • আপলোড তারিখঃ 07-08-2024 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 6142 জন
বিক্ষোভের মুখে ৪ ডেপুটি গভর্নরের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত, খোঁজ মিলছে না গভর্নরের ছবির ক্যাপশন: এখন সংবাদ ২৪

এস আলম গ্রুপসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের হাজার-হাজার কোটি টাকার বেনামি ঋণসহ বিভিন্ন অনিয়মে সহায়তার দায়ে অভিযুক্তদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা। বিক্ষোভের মুখে ডেপুটি গভর্নর-১ কাজী ছাইদুর রহমান পদত্যাগ করেছেন। আরও তিন ডেপুটি গভর্নর, হেড অফ বিএফআইইউ ও নীতি উপদেষ্টার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক কাজের জন্য আপাতত দায়িত্বে থাকবেন নূরুন নাহার।

এদিকে কর্মকর্তাদের দাবি অবিলম্ব গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারসহ সব ডেপুটি গভর্নরের পদত্যাগ ও বিচার করতে হবে। তারা যেন দেশ ছাড়তে পালাতে না পারে সে ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া যেসব নির্বাহী পরিচালক অনিয়মে সহায়তা করেছে তাদেরও বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।জানা গেছে, কাজী ছাইদুর রহমানের কক্ষ ঘিরে রেখেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। বিক্ষোভে জেরে এস আলম গ্রুপের ঘনিষ্ঠ নীতি উপদেষ্টা আবু ফরাহ মো. নাছের ক্ষমা চেয়ে ব্যাংক থেকে পালিয়েছেন। বিএফআইইউ প্রধান মো. মাসুদ বিশ্বাসও অফিস ত্যাগ করেছেন। এরকম পরিস্থিতিতে নির্বাহী পরিচালকরা বৈঠকে বসেছেন।

গতকালের মতো আজ বুধবারও গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার অফিসে আসেননি। গতকাল রাতে তার দেশ ছেড়ে পালানোর গুঞ্জন শোনা গেলেও এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে গত সোমবার শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালানোর পর থেকেই তিনি গভর্নর ভবন থেকে সটকে পড়েন।জানা গেছে, কাজী ছাইদুর রহমানের কক্ষ ঘিরে রেখেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা। বিক্ষোভে জেরে এস আলম গ্রুপের ঘনিষ্ঠ নীতি উপদেষ্টা আবু ফরাহ মো. নাছের ক্ষমা চেয়ে ব্যাংক থেকে পালিয়েছেন। বিএফআইইউ প্রধান মো. মাসুদ বিশ্বাসও অফিস ত্যাগ করেছেন। এরকম পরিস্থিতিতে নির্বাহী পরিচালকরা বৈঠকে বসেছেন।

গতকালের মতো আজ বুধবারও গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার অফিসে আসেননি। গতকাল রাতে তার দেশ ছেড়ে পালানোর গুঞ্জন শোনা গেলেও এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে গত সোমবার শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালানোর পর থেকেই তিনি গভর্নর ভবন থেকে সটকে পড়েন।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

দেবিদ্বারে আলহাজ্ব আবুল কাসেম চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক জনির জমি সংক্রান্ত বিরোধের অবসান