ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বাউফলে ত্যাগী নেতা হুমায়ুন কবিরকে পুনর্বহালের দাবি তৃণমূল নেতাকর্মীদের

  • আপলোড তারিখঃ 16-06-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 542746 জন
বাউফলে ত্যাগী নেতা হুমায়ুন কবিরকে পুনর্বহালের দাবি তৃণমূল নেতাকর্মীদের ছবির ক্যাপশন: ১





মোঃ গোলাম কিবরিয়া,

বাউফল প্রতিনিধি ://

বিএনপির দুর্দিনের সাহসী সৈনিক, রাজপথের নির্ভীক মুখ হুমায়ুন কবিরকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনায় বাউফলসহ দক্ষিণাঞ্চলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।


স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, গত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে যে কজন অকুতোভয় সৈনিক সামনে ছিলেন, হুমায়ুন কবির তাদের অন্যতম। বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের শিকার হয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলায় জর্জরিত হয়েছেন, বহুবার কারাবরণ করেছেন। তবুও পিছু হটেননি। তাঁর রাজপথের নেতৃত্বে অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির পতাকাতলে একত্রিত হয়েছেন।


তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করেন, এমন একজন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও নিষ্ঠাবান নেতার অব্যাহতি দলের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তাদের ভাষায়, "যে সময় শহরের কেউ মুখ খুলত না, তখন হুমায়ুন কবিরই ছিলেন রাজপথের কান্ডারি। আজ সুসময়ে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়।"


তারা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে জোরালোভাবে আহ্বান জানিয়েছেন—

"ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে নয়, বরং তাদের হাত ধরেই বিএনপিকে শক্তিশালী করা হোক। অবিলম্বে হুমায়ুন কবিরকে স্বপদে ফিরিয়ে আনতে হবে।"


এই দাবিকে ঘিরে বাউফলের রাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কর্মীরা বলছেন, দল যদি পরীক্ষিত নেতৃত্বের ছায়ায় চলতে চায়, তাহলে এখনই সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার।


হুমায়ুন কবিরের পাশে বাউফলের মাটি, তাঁর পাশে তৃণমূল।

ইতিহাস বিএনপির পক্ষেই থাকবে — কিন্তু সেই ইতিহাস গড়তে দরকার সত্যিকারের সৈনিকদের সম্মান।





কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

বিএসএফ বন্দুক দেখিয়ে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে ঢোকাচ্ছে: এপিডিআর-এর উদ্বেগ