ঢাকা | বঙ্গাব্দ

কর ফাঁকি: মৌসুমী-ফারিয়া-সাবিলা নূরসহ ২৫ তারকার ব্যাংক হিসাব জব্দ

  • আপলোড তারিখঃ 22-06-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 8063 জন
কর ফাঁকি: মৌসুমী-ফারিয়া-সাবিলা নূরসহ ২৫ তারকার ব্যাংক হিসাব জব্দ ছবির ক্যাপশন: ১

অনলাইনখবর://


কর ফাঁকির অভিযোগে দেশের জনপ্রিয় ২৫ তারকা শিল্পীর ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই তালিকায় রয়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী, অভিনেতা বাপ্পারাজ, অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া, সাবিলা নূর, তিশাসহ একাধিক জনপ্রিয় মুখ।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর অঞ্চল-১২ এর সহকারী কর কমিশনার কাজী রেহমান সাজিদ মন সই করা একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব তারকার ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশনা জারি করা হয়। একই সঙ্গে তাদের ঠিকানায় চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছে।রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে এসব শিল্পীরা নির্ধারিত সময়ে আয়কর পরিশোধ না করায় একাধিকবার সতর্ক করেও প্রতিকার না পাওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদিও তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এরই মধ্যে বকেয়া কর পরিশোধ করেছেন এবং বাকিরা সময় চেয়েছেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যাদের হিসাব জব্দ করা হয়েছে তাদের মধ্যে আছেন— মৌসুমী, বাপ্পারাজ, নুসরাত ফারিয়া, সাবিলা নূর, শবনম পারভীন, তানভীন সুইটি, নুসরাত ইমরোজ তিশা, আহমেদ শরীফ, আনিসুর রহমান মিলন, অপূর্ব, নিশো, মেহজাবীন চৌধুরী, বিদ্যা সিনহা মিম, সোহানা সাবা, নাঈম, শাওন, জাকিয়া বারী মম প্রমুখ।

এনবিআর কর্মকর্তারা বলছেন, কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রাজস্ব বোর্ড। কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যদি নির্ধারিত সময়ে বকেয়া কর পরিশোধ করেন, তবে হিসাব জব্দ প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এনবিআর সূত্রে  জানা গেছে, এই ২৫ জন তারকার মধ্যে কয়েকজন আগে কখনোই নিয়মিত রিটার্ন জমা দেননি। আবার অনেকেই প্রকৃত আয়ের তুলনায় অত্যন্ত কম কর জমা দিয়েছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় এবং প্রাথমিক যাচাই শেষে এই তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, ভবিষ্যতে অন্যান্য পেশাজীবীদের ক্ষেত্রেও কর ফাঁকি সংক্রান্ত এমন অভিযান জোরদার করা হবে। কারণ, কর আদায়ে সমতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে আইন সবার জন্য প্রযোজ্য হতে হবে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

দেবিদ্বারে আলহাজ্ব আবুল কাসেম চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক জনির জমি সংক্রান্ত বিরোধের অবসান