ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে আমিনুল হক: সত্য বললে আর মামলা-নির্যাতন হবে না

  • আপলোড তারিখঃ 30-07-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 241162 জন
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে আমিনুল হক: সত্য বললে আর মামলা-নির্যাতন হবে না ছবির ক্যাপশন: ১



মোঃমনিরহোসেন ://

বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, “পতিত আওয়ামী স্বৈরাচারের আমলে সাংবাদিকরা সত্য বলতে পারেননি। মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তারা। আমরা আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই- সত্য কথা বললে বিএনপির সময়ে আর এসব সহ্য করতে হবে না।”


মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পল্লবীর সাংবাদিক আবাসিক প্লটে এক উঠোন বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


তিনি বলেন, “আমি প্রতিদিন পল্লবী-রূপনগর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে মানুষের কথা শুনছি। তারা ড্রেনেজ, সুয়ারেজ, জলাবদ্ধতা, রাস্তা, মাদক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সংক্রান্ত নানা সমস্যার কথা জানাচ্ছেন। এই সমস্যাগুলো সমাধানে সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য তুলে ধরার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।”


আমিনুল হক বলেন, “আমি আপনাদের সন্তান, আপনাদের ভাই হিসেবে কথা দিচ্ছি—আমি রাজনৈতিক বুলি আওড়াব না। আমি যা পারব তা-ই বলব, যা পারব না, তা বলব না। ইতিমধ্যেই পল্লবী-রূপনগরের অনেক সমস্যার সমাধানে কাজ শুরু হয়েছে।”


তিনি আরও বলেন, “বিএনপি একটি মানবিক, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণকামী বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগোচ্ছে। আমি ধানের শীষের প্রতিনিধি হয়ে ঢাকা-১৬ আসনকে নতুনভাবে ঢেলে সাজাতে চাই।”


সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক প্লট ফেডারেশন সমিতির সভাপতি আব্দুল আউয়াল ঠাকুর, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ, মাহাবুব আলম মন্টু, স্বেচ্ছাসেবকদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, মহিলাদলের মহানগর যুগ্ম আহ্বায়ক লাইলী বেগম, মহানগর বিএনপি সদস্য সাজ্জাদ হোসেন, পল্লবী থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক কামাল হোসাঈন খান, যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ আলী গাজী, আনিছুর রহমান আনিস, মোকছেদুর রহমান আবিরসহ অনেকে।


অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন এবং তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।



মোঃ জাকির হোসেন 

মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫ ইং।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন