ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের বৈঠক স্থগিতের দাবি পিসিসিপির

  • আপলোড তারিখঃ 15-10-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 133902 জন
ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের বৈঠক স্থগিতের দাবি পিসিসিপির ছবির ক্যাপশন: ১



মোঃ কামরুল ইসলাম, রাঙামাটি  জেলা প্রতিনিধি:-

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের আসন্ন বৈঠক স্থগিতের দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি)। বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে কমিশনের বৈঠক স্থগিতের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করে সংগঠনটি।

স্মারকলিপিতে পিসিসিপি জানায়, আগামী ১৯ অক্টোবর (রবিবার) রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ে কমিশনের একটি বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। তবে সংগঠনটির ঘোষিত আট দফা দাবি বাস্তবায়নের আগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে স্থানীয় বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।


স্মারকলিপিতে বলা হয়, পিসিসিপি ঘোষিত আট দফা দাবি মানা না হওয়া পর্যন্ত ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনের কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না। সংগঠনটির নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের অধিকারবঞ্চিত নাগরিকদের স্বার্থরক্ষায় শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়ব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশাররফ হোসেন, যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূর হোসেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের (পিসিএনপি) রাঙামাটি জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবিরসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


স্মারকলিপিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইন, ২০১৬ অনুযায়ী গঠিত কমিশনে পার্বত্য চট্টগ্রামের ৫২ শতাংশ বাঙালি জনগোষ্ঠীর কোনো প্রতিনিধি নেই। কমিশনের সদস্যদের অধিকাংশই উপজাতি সম্প্রদায়ের হওয়ায় একপেশে সিদ্ধান্তের আশঙ্কা রয়েছে বলে দাবি পিসিসিপির।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, কমিশনের নয় সদস্যের মধ্যে তিনজন সার্কেল চিফ (রাজা), তিনজন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও একজন আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যানসহ মোট সাতজনই উপজাতি সম্প্রদায়ের। বাকি দুজনের একজন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং অপরজন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার।


পিসিসিপির দাবি, এ ধরনের একপেশে কাঠামো থেকে গৃহীত সিদ্ধান্তের ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বৃহৎ বাঙালি জনগোষ্ঠী ভূমিহীন হয়ে পড়তে পারে। এছাড়া কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ না থাকাকে তারা সংবিধান পরিপন্থি বলে উল্লেখ করেছে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, আসন্ন ১৯ অক্টোবরের বৈঠককে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। পিসিসিপি দাবি জানিয়েছে, আট দফা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত রাঙামাটিতে কমিশনের কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত না করার জন্য প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন