ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বাঙালির কাছে কেন ভালোবাসা দিবস মানেই পলাশ-শিমুলে রাঙা বসন্ত

  • আপলোড তারিখঃ 14-02-2026 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 181229 জন
বাঙালির কাছে কেন ভালোবাসা দিবস মানেই পলাশ-শিমুলে রাঙা বসন্ত ছবির ক্যাপশন: ১

মোঃ মনিরহোসেন ://

 ইতিহাস, সংস্কৃতি আর আবেগ - এই তিনের সেতুবন্ধনেই গড়ে উঠেছে আজকের ভালোবাসা দিবস।

 বসন্ত ও ভালোবাসার সংযোগ

বাঙালির সংস্কৃতিতে বসন্ত মানেই নতুনের ডাক। শীতের ধূসরতা পেরিয়ে যখন প্রকৃতি নতুন পাতা আর ফুলে সাজে, তখন মানুষের মনেও এক ধরনের সজীবতা কাজ করে। এই মানসিক নবজাগরণ ভালোবাসার অনুভূতিকেও উসকে দেয়।

বাসন্তী শাড়ি, হলুদ পাঞ্জাবি, কপালে গাঁদা বা পলাশ - রঙ যেন পোশাক ছাড়িয়ে আবেগে ছড়িয়ে পড়ে। ভালোবাসা দিবস আর পহেলা ফাল্গুন প্রায় একই সময়ে পড়ায় দুই সংস্কৃতির মিলন ঘটে এক অনন্য আবহে। পাশ্চাত্যের ভ্যালেন্টাইন আর প্রাচ্যের বসন্ত - এ যেন হৃদয়ের কূটনৈতিক সেতুবন্ধন।


কবিতা, গান ও আবেগের উত্তরাধিকার

বসন্তকে ঘিরে আমাদের সাহিত্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে’ কিংবা কাজী নজরুল ইসলামের বসন্তগীতি - এসব সুরে প্রেম, বিরহ আর মিলনের কথা বারবার ফিরে আসে। বসন্তের আবহে ভালোবাসা যেন শব্দ পায়, সুর পায়, ভাষা পায়।

 আজকের ভালোবাসায় ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিলন

আজকের ভালোবাসা দিবস শুধুই আমদানি করা উৎসব নয়। এটি আমাদের সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারের অংশ হয়ে গেছে। ফুলের তোড়া, হাতে লেখা চিঠি, কিংবা সাদামাটা একসঙ্গে হাঁটা - সবই হয়ে উঠেছে ভালোবাসার ভাষা।


তবে ভালোবাসার জন্য আসলেই আলাদা দিন লাগে না - তবুও একটি দিন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সম্পর্ককে যত্নে রাখার কথা। বসন্ত যেমন পুরোনো ঝরিয়ে নতুনের আহ্বান জানায়, তেমনি ভালোবাসাও শেখায় নতুন করে শুরু করতে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

আবাসিক হোটেলের আড়ালে অবৈধ দেহ ব্যবসা: প্রশাসনের কড়া নজরদারি দাবি..