ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সেই সিন্ডিকেট ভাঙার কোনো আলামতও মেলেনি।

  • আপলোড তারিখঃ 09-10-2024 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 616756 জন
সেই সিন্ডিকেট ভাঙার কোনো আলামতও মেলেনি। ছবির ক্যাপশন: ১

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও গত দুই মাসে সবচেয়ে বেশি ভোগাচ্ছে দ্রব্যমূল্য। পণ্যের দাম মানুষকে স্বস্তি দিতে পারেনি। বরং স্বল্প আয়ের মানুষের কষ্ট বাড়িয়েছে। বিগত সরকারের আমলের সেই সিন্ডিকেট ভাঙার কোনো আলামতও মেলেনি এখনো। এরই মধ্যে ডিম-মুরগির সিন্ডিকেটের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। সরকারের অগ্রাধিকারে থাকলেও বাজারব্যবস্থায় এখনো নিয়ন্ত্রণ আসেনি।

বাজারের তথ্য বলছে, গত দুই মাসে ডিম, মুরগি, সবজি, কাঁচামরিচ, ভোজ্যতেল, চিনিসহ বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি অস্থিতিশীল ডিম ও কাঁচামরিচের দাম। দু-একটি পণ্যের দাম কমেছে অতি সামান্য। এছাড়া প্রধান খাদ্যশস্য চালের যে চড়া দাম ছিল, সেটাও বরং আরও একটু বেড়েছে।সোহেলী বেগম নামে একজন স্বল্প আয়ের মানুষ জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রত্যাশা ছিল নতুন সরকার দাম নিয়ন্ত্রণে ভালো পদক্ষেপ নেবে। কিন্তু নানা খাতে সংস্কার হলেও দ্রব্যমূল্য কমিয়ে স্বস্তি দিতে পারেনি। যে কারণে আমাদের মতো কম আয়ের মানুষ এখনো কষ্টে আছে।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রায় দুই মাসে পাঁচটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। কমেছে মাত্র দুটির। বেড়েছে তেল, চিনি, ডিম, মুরগি ও চালের দাম। কমেছে পেঁয়াজ ও আলুর।টিসিবির বাজারদরের তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ৮ আগস্টের তুলনায় গত রোববার মোটা চাল কেজিতে ১ টাকা, খোলা সয়াবিন তেল লিটারে ৬ টাকা, চিনি ৩ টাকা, ডিম হালিতে ৮ টাকা, ব্রয়লার মুরগিতে ২০ টাকা বেড়েছে। আর পেঁয়াজ ও আলুর দাম কেজিতে কমেছে ৫ টাকা।

এসময় বেশ কিছু সবজি ও কাঁচামরিচের দাম বেশি ছিল, তবে এসব পণ্য টিসিবির হিসাবে নেই। পাশাপাশি এসময় ভরা মৌসুমে চড়া দামে বিক্রি হয়েছে ইলিশ মাছ। সেটাও সাধারণ মানুষের বড় উষ্মার কারণ।দ্রব্যমূল্যের এ ঊর্ধ্বগতির কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বন্যাকে দায়ী করছেন। তারা বলছেন, এসময় রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের নানান প্রভাব পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়েছে। যার কারণে সাধারণ মানুষ সুফল পায়নি।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে পণ্যের দাম বাড়া-কমার কিছু যৌক্তিক ও অযৌক্তিক কারণ আছে। এর মধ্যে সুদের হারে লাগাম তুলে নেওয়ায় বাজারে টাকার সরবরাহ কমে পণ্যের চাহিদা কমছে। এতে মূল্যস্ফীতি কমার সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে। আবার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাজারে টাকার সরবরাহের ওপর নিত্যপণ্যের সব পণ্যের চাহিদা, জোগান ও দাম ততটা নির্ভর করে না। এসব পণ্যের দাম কমাতে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ দরকার।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন