ঢাকা | বঙ্গাব্দ

কারওয়ান বাজারে উচ্ছেদের পর আবার ফুটপাতে হকাররা, আবার অভিযান

  • আপলোড তারিখঃ 05-11-2024 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 600868 জন
কারওয়ান বাজারে উচ্ছেদের পর আবার ফুটপাতে হকাররা, আবার অভিযান ছবির ক্যাপশন: কারওয়ান বাজারে আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে যৌথ বাহিনী উচ্ছেদ অভিযান চালায়

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রাস্তা ও ফুটপাত থেকে গতকাল সোমবার রাতে হকারদের উচ্ছেদ করার পর আজ মঙ্গলবার সকালে কয়েকজন হকার সবজি ও পণ্য নিয়ে আবার ফুটপাতে বসেছিলেন। সকালে যৌথ বাহিনী কারওয়ান বাজারে টহল দেওয়ার সময় তাঁদের অনেকেই মালপত্র নিয়ে সরে যান। পরে আবার কয়েকজন এসে বসে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ বলেছে, গতকাল রাত আটটার দিকে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র‍্যাব কারওয়ান বাজারের রাস্তার দুই ধারে ও ফুটপাতে বসা হকারদের উচ্ছেদ করে। রাত ১১টা পর্যন্ত চলা উচ্ছেদ অভিযানে শত শত হকারকে উচ্ছেদ করা হয়।


তবে আজ সকাল নয়টার দিকে হকাররা ফুটপাতে সবজি ও পণ্য সাজিয়ে বসেন। সকাল ১০টার পর যৌথ বাহিনী দখলমুক্ত রাস্তা ও ফুটপাত দেখতে কারওয়ান বাজারে পরিদর্শনে আসে। এ সময় তাদের দেখে অনেক হকারই সরে পড়েন। কয়েকজন আবার ফুটপাতে বসে যান। তাঁদের সরে যেতে ১০ মিনিট সময় বেঁধে দেওয়া হয়।

আজ সকালে পথচারীরা বলেন, প্রতিদিন হকাররা রাস্তার দুই ধারে পণ্য সাজিয়ে বসেন। রিকশা-ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, বিভিন্ন পিকআপ ও বিভিন্ন গাড়ি রাস্তায় রাখা হয়। ফলে এখানে দিনরাত যানজট লেগে থাকে।


যৌথ বাহিনীর টহল দলের কর্মকর্তা জ্যেষ্ঠ ওয়ারেন্ট অফিসার শুকুর মাহমুদ খান আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, কারওয়ান বাজার রাস্তার দুই ধারে ও ফুটপাতে কোনোভাবেই বসতে দেওয়া হবে না। গতকাল রাতে কারওয়ান বাজারে হকারদের উচ্ছেদের পর আজ সকালে তাঁরা আবার ফুটপাতে বসেছিলেন। তাঁদের ফুটপাত থেকে ছেড়ে চলে যেতে ১০ মিনিট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোবারক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, এখন থেকে প্রতিদিনই মনিটরিং করা হবে। আর যেন কোনো হকার রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে বসতে না পারেন।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন