ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বিয়ে হওয়ার কথা ছিল ইসরাত জাহান তামান্নার ডেঙ্গু কেড়ে নিয়েছে জীবন।

  • আপলোড তারিখঃ 21-11-2024 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 5694 জন
বিয়ে হওয়ার কথা ছিল ইসরাত জাহান তামান্নার  ডেঙ্গু কেড়ে নিয়েছে জীবন। ছবির ক্যাপশন: ১

আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল ইসরাত জাহান তামান্নার (২৩)। ছেলে মোহাম্মদ সাহেদ থাকেন প্রবাসে। বিয়ে অনুষ্ঠানের জন্য ঠিক করা হয়েছিল কমিউনিটি সেন্টারও। বাড়িতে চলছিল উৎসবের আমেজ।

তবে সব আনন্দ-উচ্ছ্বাস ম্লান করে দুই পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ডেঙ্গু কেড়ে নিয়েছে তামান্নার জীবন। বুধবার (২০ নভেম্বর) রাতে মারা যান তিনি।এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের মাদাম বিবিরহাট এলাকায়। ওই এলাকার দিদারুল আলমের মেয়ে তামান্না।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ইসরাত জাহান তামান্নার সঙ্গে পারিবারিকভাবে নগরীর বলিরহাট এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে মোহাম্মদ সাহেদের বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হয়। সাহেদ প্রবাসী। বিয়ে অনুষ্ঠানের জন্য ঠিক করা হয়েছিল কমিউনিটি সেন্টারও। কিন্তু কিছুদিন আগে হঠাৎ তানিয়ার গায়ে জ্বর দেখা দেয়। দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে লাগলে স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করালে তার শরীরে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। পরে তাকে নগরীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়।সেখানেও অবস্থার অবনতি হতে থাকলে আরেকটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। দুদিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাতে তিনি মারা যান।

তামান্নার মামা শাহেদ মিয়া বদি বলেন, ‘মনকে বোঝাতে পারছি না। ভাগ্নিকে বাঁচানোর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু ভুল চিকিৎসার কারণে আমার ভাগ্নি মারা গেলো।তিনি আরও বলেন, ‘যে ছেলের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছে সে ওমানে থাকে। বিয়ের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দেশে আসছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় ভাগ্নি পৃথিবীতে আর নেই।’




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

**ঢাকা জেলা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে**