সংগৃহীতখবর ://ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে যানবাহনের বাড়তি চাপ থাকলেও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করতে যাওয়া ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে নিজ গন্তব্য পৌঁছাতে পারছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকে মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা টোলপ্লাজার ২১ কিলোমিটার সড়ক পর্যন্ত কোথাও কোনো যানজটের ভোগান্তি হয়নি বলে জানা গেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, দূরপাল্লাসহ আঞ্চলিক বাসগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রতিটি বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা শেষে স্থান ত্যাগ করছে। এতে করে সড়কে যানবাহনগুলোর জটলা সৃষ্টি হচ্ছে না। ফলে যাত্রী এবং গাড়িচালকরাও স্বস্তিতে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটতে পারছেন।যানজটের ভোগান্তি পোহাতে হবে না ঘরমুখো মানুষকে। তবে মহাসড়কজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা না থাকলে ডাকাতি-ছিনতাইয়ের শিকার হবেন অসংখ্য মানুষজন।
কয়েকজন দূরপাল্লার বাসচালক জানান, বিগত বছরগুলোর মতো এবার মহাসড়কের কোথাও যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে না তাদের। বর্তমান সময়ের মতো আগামী ৩-৪ দিন থাকলে যাত্রীদের যাত্রা স্বস্তির হবে।
মহাসড়কের পরিস্থিতির বিষয়ে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আবু নাঈম বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি এড়াতে আমাদের অতিরিক্ত ফোর্স কাজ করছে। ঈদ উপলক্ষে আমরা দিবারাত্রি ডিউটি করে যাচ্ছি। আশা করছি যানজটের ভোগান্তি থেকে ঘরমুখো মানুষকে মুক্ত করতে পারবো।কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মোরশেদ বলেন, যানজট নিরসনে আমরা তৎপর রয়েছি। টহল টিমও বাড়ানো হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ অংশে মানুষকে যানজটের ভোগান্তিতে পড়তে হবে না বলে আশাবাদী।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনূর আলম বলেন, আমাদের একটি টিম ২৪ ঘণ্টার জন্য চিটাগাংরোড রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আরেকটি টিমও দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এক টিম সিএনজি এবং আরেকটি পুলিশের গাড়িতে ডিউটি করছেন। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আমরা সতর্ক আছি।
তিনি বলেন, অনেকে চাকরি হারিয়ে ছিনতাই কাজে নেমেছে। তাদেরকে যারা লেলিয়ে দেয় তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।