ঢাকা | বঙ্গাব্দ

কাঁচা বাজার অনেকটাই ক্রেতাশূন্য। বিক্রেতারাও পুরোদমে শুরু করেননি বেচাকেনা

  • আপলোড তারিখঃ 05-04-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 378151 জন
কাঁচা বাজার অনেকটাই ক্রেতাশূন্য। বিক্রেতারাও পুরোদমে শুরু করেননি বেচাকেনা ছবির ক্যাপশন: ১

সংগৃহীতখবর ://সদ্য শেষ হওয়া ঈদের পরে কাঁচা বাজার অনেকটাই ক্রেতাশূন্য। বিক্রেতারাও পুরোদমে শুরু করেননি বেচাকেনা। অনেক দোকান এখনও বন্ধ। তাই বাজারে স্বাভাবিক সময়ের মতো ব্যস্ততা নেই, নেই বিক্রেতাদের হাঁকডাকও। তবু সবজি বিক্রি হচ্ছে আগের বাড়তি দামেই। একইসঙ্গে বেড়েছে ডিমের দাম। তবে মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।  

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুর ১ নম্বরের কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।ঈদ পরবর্তী বাজারে সবজির দাম কমেনি। এখনও আগরে মতো বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে অধিকাংশ সবজি। এছাড়া আজ নতুন করে কয়েকটি সবজির দাম বেড়েছে। তবে কয়েকটি সবজির দাম কমেছে। 

আজ বাজারে প্রতি কেজি টক টমেটো ৫০ টাকা, দেশি গাজর ৫০ টাকা, শিম ৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ৮০ টাকা, কালো গোল বেগুন ১০০ টাকা, শসা ৬০-১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কাকরোল ১৪০ টাকা, পেঁপে ৬০-৭০ টাকা, মূলা ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, সজনে ১৫০ টাকা, পটল ৮০ (হাইব্রিড)-১৬০ (দেশি) টাকা, চিচিঙ্গা ৭০ টাকা, ধুন্দল ৮০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা, কচুরমুখী ১২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা, ধনেপাতা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর মানভেদে প্রতিটি লাউ ৮০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা, ফুলকপি ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৫০  বিক্রি হচ্ছে টাকা করে। এছাড়া প্রতি হালি কাঁচা কলা ৩০ টাকা, হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়।মুরগির মাংসের দাম কমে যাওয়া প্রসঙ্গে বিক্রেতারা বলেন, ‘মাত্র ঈদ শেষ হলো, এখন মুরগির চাহিদা কম। যারা কেনার তারা বেশিরভাগই ঈদের আগে কিনে রেখেছেন। এখন কিছুদিন দাম কমই থাকবে। তাছাড়া বাজারে ক্রেতাও কম। যাদের না হলেই না তারাই কেবল কিনছেন।’

ডিমের দাম বাড়তে থাকা প্রসঙ্গে ব্যবসায়ীরা বলছেন, পুরা রোজায় ডিমের দাম কম ছিল। কারণ, ওই সময় চাহিদা কম ছিল। মানুষ কিনতো কম, আবার হোটেল-বেকারি বন্ধ থাকায় ডিমের সে রকম চাহিদা ছিল না। তাই দাম কম ছিল। এখন বেকারি-হোটেল খুলছে ডিমের চাহিদাও বাড়ছে। তাই দাম কিছুটা বাড়বে।

এদিকে আজ বাজারে আকার ও ওজন অনুযায়ী ইলিশ মাছ ১০০০-২ হাজার ৮০০ টাকা, রুই মাছ ৩৬০-৫৫০ টাকা, কাতল মাছ ৪০০-৫০০ টাকা, বেলে ৫০০-১ হাজার ৩০০, কালিবাউশ ৪০০-৬০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০-১ হাজার ২০০ টাকা, কাঁচকি ৬০০ টাকা, কৈ ২৮০-৩০০ টাকা, পাবদা ৪০০-৫০০ টাকা, শিং মাছ ৫০০-৭০০ টাকা, টেংরা ৭০০-৮০০ টাকা, বোয়াল মাছ ৭০০-১০০০ টাকা, শোল মাছ ৬০০-৮০০ টাকা, চিতল ৬০০-১০০০ টাকা, সরপুঁটি ৩৫০-৪৫০ টাকা, কাজলী মাছ ১ হাজার ৬০০ টাকা, রূপচাঁদা ৮০০-১ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন