ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ভবিষ্যতে দেশে মব ও জনদুর্ভোগ করলে সেনাবাহিনী কঠোর হবে: সেনাসদর

  • আপলোড তারিখঃ 26-05-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 332084 জন
ভবিষ্যতে দেশে মব ও জনদুর্ভোগ করলে সেনাবাহিনী কঠোর হবে: সেনাসদর ছবির ক্যাপশন: ১

হারুন, স্টাফ ক্রাইম রিপোর্টার:// বাংলাদেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী। ভবিষ্যতে জানমালের ক্ষতিসাধন, মব ভায়োলেন্স এবং  জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে পারে এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে সেনাসদর।

সোমবার (২৬ মে) ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মিলিটারি অপারেশন্সের পরিচালক (কর্নেল স্টাফ) কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, দেশের জনগণের জানমাল এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এবং  স্থাপনার নিরাপত্তা দেওয়াসহ সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সেনাবাহিনী প্রধানের দিকনির্দেশনাকে অনুসরণ করে দেশের চরাঞ্চলসহ ৬২টি জেলায় সেনাসদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন সংস্থা, গণমাধ্যম এবং সাধারণ জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

ভবিষ্যতে জানমালের ক্ষতিসাধন, মব ভায়োলেন্স ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করতে পারে এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। সেনাবাহিনী একতাবদ্ধ হয়ে সর্বদা দেশের জনসাধারণের পাশে থেকে সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে বদ্ধপরিকর।

চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেফতার এবং  অস্ত্র গোলাবারুদ উদ্ধার অভিযান
কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গত ৪০ দিনে সেনাবাহিনী ২৪১টি অবৈধ অস্ত্র ও ৭০৯ রাউন্ড গোলাবারুদ এবং আগস্ট থেকে এই পর্যন্ত মোট ৯ হাজার ৬১১টি অবৈধ অস্ত্র ও ২ লাখ ৮৫ হাজার ৭৬১ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। এছাড়াও গত এক মাসে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত মোট ১ হাজার ৯৬৯ জনকে এবং এ পর্যন্ত মোট ১৪ হাজার ২৬৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

একইসঙ্গে জনসাধারণকে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোসহ পরিবার-পরিজনের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘনভাবে ঈদ উদযাপনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

কোরবানির পশুর হাটে চাঁদাবাজি ও নিরাপত্তা বিধান
ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট কেন্দ্র করে চাঁদাবাজ এবং ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পায়। মূল সড়কের পাশে পশুর হাটের অবস্থান হওয়ায় রাস্তাঘাটে যানজটের সৃষ্টি হয়। যার ফলে জনসাধারণের মধ্যে দুর্ভোগ এবং  জানমালের নিরাপত্তার হুমকি সৃষ্টি হয়। সেনাবাহিনী নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে পশু হাটে চাঁদাবাজি এবং  জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সচেষ্ট থাকবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং  এফডিএমএন ক্যাম্পের নিরাপত্তা
সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কক্সবাজার জেলায় এফডিএমএন ক্যাম্প এলাকার নিরাপত্তা বিধান করার দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করে যাচ্ছে।

এছাড়াও সেনাবাহিনী দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখাসহ বিদেশি কূটনীতিক এবং  দূতাবাসগুলোর সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের কাজে নিয়োজিত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন