ঢাকা | বঙ্গাব্দ

স্টারলিঙ্কের দিন শেষ? এবার আসছে নতুন ইন্টারনেট

  • আপলোড তারিখঃ 04-06-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 402318 জন
স্টারলিঙ্কের দিন শেষ? এবার আসছে নতুন ইন্টারনেট ছবির ক্যাপশন: ১

মোঃমনিরহোসেন ://

যখন পুরো বিশ্বের নজর এলন মাস্কের স্টারলিংক এবং তার স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের দিকে, তখন চুপিসারে আরেকটি প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছে ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক স্টার্টআপ ‘তারা’। স্যাটেলাইট বা ফাইবার ছাড়াই তারা পৌঁছে দিচ্ছে উচ্চগতির ইন্টারনেট—সহজে, সাশ্রয়ীভাবে এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে।

তারা’র প্রযুক্তিতে মাটি খুঁড়ে ফাইবার বসানোর দরকার নেই। শুধু দুই প্রান্তে বসাতে হয় ‘লাইট ব্রিজ’। এর এক প্রান্তে থাকে লেজার প্রজেক্টর, আর অপর প্রান্তে রিসিভার। এই লেজার সরাসরি এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ডেটা পাঠায়, যার গতি স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের চেয়ে ১০ থেকে ১০০ গুণ বেশি।

ছোট আকারের ছাদ-বান্ধব লাইট ব্রিজ ব্যবহার করে তারা এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ২০ কিলোমিটার দূরত্বে প্রতি সেকেন্ডে ২০ গিগাবাইট গতিতে ইন্টারনেট পাঠাতে সক্ষম। এর ফলে শহর হোক বা প্রত্যন্ত গ্রাম—সবখানে একই গতিতে ইন্টারনেট পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে।

প্রাকৃতিক বাধা যেমন বৃষ্টি, কুয়াশা কিংবা পাখির আঘাত যাতে এই লেজারের পথে সমস্যা সৃষ্টি না করতে পারে, সেজন্য তারা ব্যবহার করছে উন্নত ‘অটো ট্র্যাকিং সিস্টেম’। এই সিস্টেম লেজারের অবস্থান ও দিক স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠিক রাখে, ফলে সংযোগ থাকে অটুট, স্থির ও নির্ভরযোগ্য।

এই প্রযুক্তি এরইমধ্যে ১২টি দেশে সফলভাবে ব্যবহার হয়েছে। আফ্রিকার কঙ্গো নদীর দুই তীরের রাজধানী—ব্রাজাভিল ও কিনশাসা—মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরত্বে ‘তারা’র লেজার লিংকে সংযুক্ত হয়ে ৭০০ টেরাবাইট ডেটা সরিয়েছে, তাও ৯৯.৯৯ শতাংশ আপটাইম নিশ্চিত করে।

২০২৬ সালে ‘তারা’ বাজারে আনতে যাচ্ছে আরও উন্নত ‘ফোটনিক্স চিপ’ সংস্করণ, যা ব্যবহার করা যাবে ড্রোন, স্বয়ংক্রিয় যানবাহন এবং ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) ডিভাইসেও। দুর্যোগের সময়ও এই প্রযুক্তি ফাইবার নেটওয়ার্কের ব্যাকআপ হিসেবে কাজ করতে পারবে।

ইন্টারনেটের অদ্ভুত এই আলোর সেতু যেন ডিজিটাল পৃথিবীর নতুন দিগন্ত উন্মোচনের বার্তা দিচ্ছে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

সায়দাবাদ আন্তঃজেলা ও নগর বাসটার্মিনাল বাস মালিক সমিতির কমিটি ঘোষণা