ঢাকা | বঙ্গাব্দ

মাদারীপুর থানা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে ২৫ হাজার টাকা ঘুস দাবি কম্পিউটার অপারেটর কনস্টেবল মো. সোহালন খানকে ক্লোজ

  • আপলোড তারিখঃ 27-07-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 238042 জন
মাদারীপুর থানা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে ২৫ হাজার টাকা ঘুস দাবি  কম্পিউটার অপারেটর কনস্টেবল মো. সোহালন খানকে ক্লোজ ছবির ক্যাপশন: ১

এম আই হৃদয় সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার ://

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের এক বাসিন্দার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে ২৫ হাজার টাকা ঘুস দাবি করায় কালকিনি থানার কম্পিউটার অপারেটর কনস্টেবল মো. সোহালন খানকে ক্লোজ করেছেন পুলিশ সুপার।

 রোববার (২৭ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম সোহেল রানা।



কালকিনি থানার ওসি কেএম সোহেল রানা জানান, পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে এক ব্যক্তির কাছে কনস্টেবল সোহালন খান টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠলে পুলিশ সুপার তাৎক্ষণিক অভিযুক্তকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্তির আদেশ দেন। সেই সঙ্গে ওই ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া জেলার কোনো থানা পুলিশ কোথাও কোনো অনিয়ম করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে পুলিশ সুপার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।



জানা যায়, ডাসার উপজেলার এক ব্যক্তি তার পাসপোর্টে থানার ঠিকানা কালকিনি আর ভোটার আইডি কার্ডে থানা দেওয়া হয় ডাসার। অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেন তিনি। কয়েক দফা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ও ডাসার থানায় গিয়েও পাননি সেবা।



শেষমেশ চলে আসেন কালকিনি থানায়। সেখানে যোগাযোগ করেন কালকিনি থানার কম্পিউটার অপারেটর মো. সোহালন খানের সঙ্গে। তিনি গ্যারান্টি দেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেওয়ার। এজন্য পুলিশের এই সদস্যকে দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা। টাকা না দিলে কোনো অবস্থাতেই মিলবে না এই সার্টিফিকেট। এমনকি অন্য কেউ আবেদনকারীকে সহযোগিতাও করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন পুলিশ সদস্য।



শেষমেশ ৫ হাজার টাকা নগদ সোহালনের হাতে তুলে দিলে ১ জুলাই অনলাইনে আবেদন করিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন থানার এই কম্পিউটার অপারেটর। গত ২০ জুলাই জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন এই ভুক্তভোগী।



ঘটনাটি জানাজানি হলে একপর্যায়ে জেলার পুলিশ সুপারের কান পর্যন্ত পৌঁছায়। সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ সুপার ওই কম্পিউটার অপারেটরকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজ করেন।



কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম সোহেল রানা জানান, কালকিনি থানার কম্পিউটার অপারেটর পুলিশ সদস্য সোহালন খানের বিরুদ্ধে একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেওয়ার কথা বলে টাকা গ্রহণ করেছে মর্মে একটি অভিযোগ উঠে। অভিযোগের কথা জানতে পেরে পুলিশ সুপার সঙ্গে সঙ্গে তাকে মাদারীপুর পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করেছেন। এই অভিযোগের সত্যতা নিয়ে তদন্ত চলছে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন