ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় ৪০০ জনের নামে মামলা

  • আপলোড তারিখঃ 22-12-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 8547 জন
ডেইলি স্টারে হামলার ঘটনায় ৪০০ জনের নামে মামলা ছবির ক্যাপশন: ১

নিজস্ব প্রতিবেদন://

দেশের শীর্ষ স্থানীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে ভয়াবহ হামলা-ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং  লুটপাটের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ৪০০ জনের নামে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় ৪০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে মামলার বিষয় বলেন তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ক্যশৈনু।

তিনি বলেন, ‘ডেইলি স্টারের হেড অব অপারেশনস মিজানুর রহমান একটি এজাহার দায়ের করেছেন। তদন্ত চলছে। আসামি গ্রেফতারে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছ, ১৯ ডিসেম্বর রাত ১২টা ২৫ মিনিটে ৩৫০ থেকে ৪০০ জন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও দাহ্য পদার্থ নিয়ে ডেইলি স্টার কার্যালয়ের সামনে বেআইনিভাবে সমবেত হয়। তারা উত্তেজনাকর স্লোগান দিয়ে জনরোষ এবং  দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা চালায়।

সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, কয়েকজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামলার উসকানিমূলক পোস্ট দেয়। এসব নির্দেশনার পর দুষ্কৃতকারীরা মব সৃষ্টির মাধ্যমে ভবনের স্টিল গেট ও কাঁচের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর এবং  অগ্নিসংযোগ করে।

হামলাকারীরা কার্যালয়ের ভেতরে থাকা সাংবাদিক ওল এবং  কর্মচারীদের মারধরের চেষ্টা করে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। ভবনের নিচতলা, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি চতুর্থ থেকে অষ্টম তলা পর্যন্ত ভাঙচুর এবং  লুটপাট চালানো হয়।

এজাহার অনুযায়ী, দুই শতাধিক কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ক্যামেরা, সার্ভার, প্রিন্টার, স্টুডিও ইকুইপমেন্টসহ বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ধ্বংস এবং  লুট করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ৫ কোটি টাকা। এছাড়া বিভিন্ন লকারে রাখা প্রায় ৩৫ লাখ নগদ টাকা লুট করা হয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়লে ভোর আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে দুষ্কৃতকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ফায়ার সার্ভিস এবং  আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে ভবনের ভেতর আটকে পড়া ৩০ জন সাংবাদিক এবং  কর্মচারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

দেবিদ্বারে আলহাজ্ব আবুল কাসেম চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক জনির জমি সংক্রান্ত বিরোধের অবসান