আফজাল হোসেন জয়
বান্দরবান প্রতিনিধি।
বান্দরবানের লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের হিল ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার ও সহকারী প্লাটুন কমান্ডারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতা কর্তৃক উদ্যেশ্য প্রণোদিত ভাবে মিথ্যা রটিয়ে বানোয়াট খবর প্রকাশ ও অভিযোগ প্রদানের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল সন্ধ্যায় গজালিয়া বাজারে এক সংবাদ সম্মেলন করে প্লাটুন কমান্ডার হাফিজুর রহমান এবং সহকারী প্লাটুন কমান্ডার রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের একথা জানান। স্থানীয় গণ্যমান্য ও সচেতন লোকজনের সাথে কথা বলে এবং ঐ প্লাটুনের সেকশন কমান্ডার আঃ সালাম এবং সদস্য ইয়াসিন আলীর সাক্ষাৎকারে জানা যায় লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রহমত আলী উক্ত প্লাটুনে হিল ভিডিপি সদস্য। ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হামিদুর উক্ত প্লাটুনের সহকারী সেকশন কমান্ডার এবং ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য নুরুল আলম উক্ত প্লাটুনের সদস্য হয়। তারা তিন জন দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে আসছিল। গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পে প্রত্যেক সদস্যকে মাসে তিন দিন করে ওয়ার্কিং করার কথা। প্রত্যেক সদস্য উক্ত দায়িত্ব পালন করলেও ওই তিনজন কোনদিনও ওয়ার্কিংয়ে যেত না। অন্যান্য সদস্যরা এই ব্যাপারে প্লাটুন কমান্ডারদের কে অভিযোগ দিলে প্লাটুন কমান্ডার হাফিজুর রহমান এবং সহকারী প্লাটুন কমান্ডার রফিকুল ইসলাম তাদেরকে ডেকে বলেন, চাকুরী করতে হলে স্বশরীরে মাসে তিন দিন আর্মি ক্যাম্পে ওয়ার্কিংয়ে যেতে হবে এবং অন্যান্য দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। অন্যথায় তোমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে বাধ্য হব। এ ঘটনার পর তারা সেখান থেকে চলে গিয়ে প্লাটুন কমান্ডারদের কে শায়েস্তা করার জন্য মিথ্যা ঘটনার অবতারণা করে।
উল্লেখ্য, প্লাটুন কমান্ডার হাফিজুরের সাথে সদস্য রহমত আলীর ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক লেনদেন ছিল। হাফিজুর রহমত আলীর নিকট থেকে টাকা ধার নিয়েছিল এবং সেই টাকা পরিশোধ করেছে যাহার কল রেকর্ড এবং লিখিত কাগজ রয়েছে। অথচ তারা তিনজন ষড়যন্ত্র করে আরো কিছু সদস্য তাদের দলে নিয়ে রহমত আলী অন্যদের চাকুরি দেওয়ার জন্য তাদের নিকট থেকে টাকা নিয়ে কমান্ডার এবং সহকারী কমান্ডার কে দিয়েছে বলে এক অভিযোগ দায়ের করে। কমান্ডারদের সম্মানহানি করার জন্য তারা সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি প্রচার করে দেয়। উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা হাজেরা বেগমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন -বিষয়টি আমি জেনেছি। আমি সেখানে গিয়ে তদন্ত করে সত্য-মিথ্যা নিশ্চিত করতে পারব। আমরা নির্বাচন ডিউটির টাকা দেওয়ার বিষয় গুলো নিয়ে একটু ব্যস্ত আছি। অল্পদিনের মধ্যেই আমি সেখানে যাব।
এ ব্যাপারে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।