ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা

  • আপলোড তারিখঃ 06-08-2024 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 638378 জন
ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা ছবির ক্যাপশন: অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। আজ মঙ্গলবার ভোর ৪টার পর ফেসবুকে দেওয়া ভিডিও বার্তায় এ ঘোষণা দেন আন্দোলনের সমন্বয়করা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া একটি ভিডিও বার্তায়  এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ভিডিওবার্তায় সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রসঙ্গে তাদের দাবির কথা জানান। এসময় আসিফ মাহমুদ ও আবু বাকের মজুমদার নাহিদের পাশে বসা ছিলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা ঘোষণার জন্য চব্বিশ ঘণ্টা সময় নিয়েছিলাম। কিন্তু এই জরুরি পরিস্থিতিতে আমরা এখনই সেই রূপরেখা ঘোষণা করছি। আমরা সর্বজন গ্রহণযোগ্য ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এবং নোবেল পুরস্কারজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে সরকার গঠনের দাবি জানাই। আমরা উনার সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি ছাত্রজনতার আহ্বানে বাংলাদেশকে রক্ষা করতে সম্মত হয়েছেন। আমরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে রাষ্ট্রপতির প্রতি অনুরোধ জানাই। এছাড়া সরকার গঠনের পুরো রূপরেখা ও বাকিদের নাম আমরা সকালে ঘোষণা করব।

নাহিদ আরও বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের এই অভ্যুত্থান ও বিপ্লবের পর বিভিন্ন জায়গায় নাশকতা ও লুটপাট শুরু হয়েছে। আমাদের আন্দোলনকে নস্যাৎ করতেই পরিকল্পিতভাবে ফ্যাসিস্টদের দোসররা এমন কাজ করছে। আমরা মুক্তিকামী ছাত্রজনতাকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই।

এই সমন্বয়ক আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি আহ্বান জানাই। আমরা এই আন্দোলন করতে গিয়ে শহীদ হয়েছি, আমাদের দাবি মানতে হবে। আমাদের দাবি ব্যতিরেকে অন্যকোনো সরকার আমরা মেনে নেবো না। আমরা কোনোপ্রকার সেনা শাসন চাই না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগপর্যন্ত আমরা রাজপথে থেকে এই অভ্যুত্থানকে রক্ষা করব।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন