ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বাউফলে বিএনপির নেই দলীয় কার্যালয় — ব্যক্তিগত বাড়িই এখন দলীয় কর্মকাণ্ডের আশ্রয়স্থল

  • আপলোড তারিখঃ 05-06-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 1279 জন
বাউফলে বিএনপির নেই দলীয় কার্যালয় — ব্যক্তিগত বাড়িই এখন দলীয় কর্মকাণ্ডের আশ্রয়স্থল ছবির ক্যাপশন: ১


বাউফল প্রতিনিধি://


দুঃখজনক হলেও সত্য, পটুয়াখালীর রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা বাউফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর এখনো কোনো স্থায়ী দলীয় অফিস নেই। দীর্ঘদিন ধরে ত্যাগী নেতাকর্মীরা নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন নিঃস্বার্থভাবে, নিজেদের বাড়িকে দলের ঘর বানিয়ে।


বাউফলের সাবেক সংসদ সদস্য, জননন্দিত নেতা শহিদুল আলম তালুকদার আজও নাজিরপুরে তাঁর নিজ বাসভবনে দলীয় প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন। দলীয় অফিস না থাকলেও তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে নিয়মিত বৈঠক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন একাগ্রতার সঙ্গে।


ঠিক একইভাবে, ইঞ্জিনিয়ার ফারুক আহমেদ তালুকদার হাসপাতাল রোডে অবস্থিত নিজের বাসভবনে দলীয় কর্মসূচির আয়োজন করেন। তাঁর এই উদ্যোগে নেতাকর্মীরা প্রাণ ফিরে পান, দলীয় চেতনায় উজ্জীবিত হন।


এছাড়া, মুনির নোসেন ব্যক্তিগতভাবে দলীয় প্রোগ্রাম পরিচালনা করেন আপেল মাহমুদের সহায়তায়, যা দলকে তৃণমূল পর্যন্ত সক্রিয় রাখতে বড় ভূমিকা রাখছে। একইসঙ্গে, সায়েমুল আলম লেলিন ভাইয়ের বাসাও হয়ে উঠেছে বিএনপির কর্মীদের মিলনমেলা।


একটি দলের আত্মা হচ্ছে তার কার্যালয়—একটি জায়গা যেখানে কর্মীরা এসে মিলিত হয়, মতবিনিময় হয়, ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নির্ধারণ হয়। কিন্তু বাউফলের মতো একটি জনবহুল উপজেলায় বিএনপির কোনো দলীয় অফিস না থাকা নিঃসন্দেহে বেদনাদায়ক।


এই পরিস্থিতিতে এসব নেতাদের আত্মত্যাগ, উদ্যোগ ও অদম্য নিষ্ঠা সত্যিই প্রশংসনীয়। তারা প্রমাণ করেছেন—দল মানে শুধু দেয়ালঘেরা কোনো ভবন নয়, দল মানে একটি বিশ্বাস, একটি আত্মিক বন্ধন, যা হৃদয়ে ধারণ করেই তারা পথ চলছেন।


বাউফলের তৃণমূলের বিএনপিকর্মীদের প্রাণের দাবি—এখন সময় এসেছে একটি স্থায়ী দলীয় কার্যালয় গড়ে তোলার। যেন তাদের এই অগ্নিপরীক্ষা, এই ভালোবাসা, এই সংগ্রাম আরো দৃঢ় ভিত্তি পায়।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

‘একটা মরে, একটাই যায়, বাকিডি যায় না’— সেই বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা ইকবালকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত