ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পানিহাটা সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে বাসবাসকারী নারী ও শিশুসহ ১০ বাংলাদেশিকে পুশ ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী

  • আপলোড তারিখঃ 11-07-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 487818 জন
পানিহাটা সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে বাসবাসকারী নারী ও শিশুসহ ১০ বাংলাদেশিকে পুশ ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ছবির ক্যাপশন: ১

মোঃ তাইজুলইসলাম://

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পানিহাটা সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে বাসবাসকারী নারী এবং  শিশুসহ ১০ বাংলাদেশিকে পুশ ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শুক্রবার (১১ জুলাই) ভোর ৬টার দিকে পানিহাটা সীমান্তের ১১১৮নং পিলারের কাছ থেকে পুশ ইন অবস্থায় তাদের আটক করেন বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) রামচন্দ্রকুড়া ক্যাম্পের সদস্যরা।

আটককৃতরা হলেন —সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার শাহজাদপুর গ্রামের মৃত আমজাদ আলীর ছেলে আল আমিন (২৯), মৃত গাফফার আলীর ছেলে বাবু আলী (২৩), মৃত আমজাদ আলীর স্ত্রী সখিনা বেগম (৫০), মৃত গাফফার আলীর স্ত্রী সোনা বানু (৪৫), আলম আমীনের ছেলে কাজল (২৪), জামালের স্ত্রী ফাতেমা (২১), আল আমীনের সাত বছর বয়সী ছেলে আদিল, সাত মাস বয়সী অপর ছেলে ইয়ামিন, জামালের তিন বছর বয়সী কন্যা লামিয়া ও অপর কন্যাশিশু রাবিয়া।

বিজিবি জানায়, গত দুই বছর আগে অবৈধ পথে ভারতের দিল্লির ফরিদাবাদে আমজাদ আলীর চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। পরে জামাল সেখানে মারা গেলে বাকীরা সেখানেই রয়ে যান এবং শ্রমিকের কাজ করেন। সম্প্রতি স্থানীয় লোকজন ভারতীয় পুলিশের হাতে তাদের ধরিয়ে দেন। পরে ভারতীয় পুলিশ বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করলে শুক্রবার ভোরে নালিতাবাড়ীর পানিহাটা সীমান্তপথে তাদের পুশ ইন করে। এদিকে আটককৃতদের দুপুরে নালিতাবাড়ী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সকালে ময়মনসিংহ বিজিবি-৩৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী হাসান সাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানার পক্ষ জানানো হয়েছে, যেহেতু তাদের জোরপূর্বক দেশে পাঠানো হয়েছে এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা হবে না। প্রশাসনিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাদেরকে মুসলেকার মাধ্যমে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

""নরসিংদী ড্রিম হলিডে পার্ক দিন দিন নারী-পুরুষের অশ্লীলতার অভরায়ন্যর দিকে ধাবিত হচ্ছে ..