ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ঢাকা–১৬: নির্বাচনী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আমিনুল হকের, পল্লবীতে গণমিছিল

  • আপলোড তারিখঃ 29-11-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 49029 জন
ঢাকা–১৬: নির্বাচনী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আমিনুল হকের, পল্লবীতে গণমিছিল ছবির ক্যাপশন: ১


মতিউল ইসলাম হৃদয় ;//


ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ও ঢাকা–১৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আমিনুল হক অভিযোগ করেছেন, কয়েকটি রাজনৈতিক দল ও একটি ইসলামি দল দেশি–বিদেশি মদদে আগামী জাতীয় নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। শুক্রবার বিকেলে পল্লবী ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজিত গণমিছিল পূর্ব সমাবেশে তিনি এ অভিযোগ তোলেন।


সমাবেশে আমিনুল হক বলেন, “দেশজুড়ে নির্বাচনী উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কিন্তু কিছু মহল ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন ব্যাহত করতে চাইছে।”


জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, “১৯৭১ সালে যারা রাজাকারের ভূমিকায় ছিল, তারাই এখন দেশ পরিচালনার কথা বলছে।” তিনি দাবি করেন, স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে জামায়াত পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করেছে, মা–বোনদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং বুদ্ধিজীবী হত্যায় জড়িত ছিল।


ঢাকা–১৭ আসনের একটি সমাবেশে জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, “যারা পতাকার মর্যাদা বোঝে না, তারা দেশের কল্যাণও করতে পারবে না।” ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারকারীদের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান তিনি।


এদিন ধানের শীষের পক্ষে অনুষ্ঠিত গণমিছিল পল্লবীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন।


দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, সাধারণ মানুষের দ্বারে গিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইতে হবে। নির্বাচিত হলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জানান, পরিবারগুলো মাসিক নিত্যপ্রয়োজনীয় সহায়তা পাবে এবং কৃষকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হবে।





কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন