নিজস্ব প্রতিবেদক :// নিত্যপণ্যের বাজারের যে আগুন, তার পেছনের ভিলেন শুধু বড় বড় ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট নয়; আসল শয়তান লুকিয়ে আছে ‘সড়ক চাঁদাবাজি’র আড়ালে। গত ফ্যাসিস্ট আমলে এই জঘন্য প্রথার বিরুদ্ধে বহুবার রাস্তায় নেমেছি, দৌড়ঝাঁপ করেছি। হয়তো সিস্টেমটা পুরোপুরি ভাঙতে পারিনি, কিন্তু মানুষের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পেরেছি যে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে এই টাকা তোলাও এক ধরণের নির্লজ্জ চাঁদাবাজি। মানুষকে এইটুকু বোঝাতে পারাটাই আমার বড় প্রাপ্তি।
আজ আমাদের দেশের সড়কের টোলের চেয়েও ভয়ংকর হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘চাঁদাবাজি’। পণ্যবাহী ট্রাক থেকে শুরু করে সাধারণ বাস, অটো, সিএনজি, এমনকি ব্যক্তিগত প্রাইভেট কার, কিছুই এই জুলুম থেকে বাদ যাচ্ছে না। কোথাও পৌরসভার দোহাই, কোথাও সিটি কর্পোরেশন, আবার কোথাও তথাকথিত পার্কিংয়ের নামে চলছে পকেটমারি। কোনো পরিবহন বা মালিক সমিতি কীভাবে তাদের তিলক লাগাবে বা উন্নতি করবে, সেটা তাদের মাথাব্যথা; সাধারণ জনগণের ওপর তার দায় চাপানোর কোনো মানে হয় না। সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে বা উন্নয়নের গল্প শুনিয়ে সাধারণ চালক ও মানুষের ওপর এই যে জুলুম চলছে, তা স্রেফ ডাকাতি। এই 'সিস্টেমেটিক চাঁদাবাজি' বন্ধ না করে উল্টো এটাকে সমঝোতা নামক ট্যাগ দিয়ে বৈধ করার তীব্র নিন্দা জানাই।