কিশমিশকে ‘স্বর্গীয় ফল’ এর সঙ্গে তুলনা করা হয় । কারণ মিষ্টি এ শুকনো ফলটিতে আছে বিশেষ কিছু জাদুকরী গুণ বা উপকারিতা, যা বদলে দিতে পারে আপনার জীবনকে। তাই দিনের শুরুতেই খালি পেটে খেতে পারেন এ শুকনো ফল।যেসব কারণে হিট স্ট্রোক হয় : অতিরিক্ত গরম পরিবেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করা (রোদে কাজ করা বা হাঁটা)। শরীর থেকে ঘাম হয়ে পানি ও লবণ অতিরিক্ত বের হওয়ার কারণে দেহ যদি ঠান্ডা হওয়ার ক্ষমতা হারায়। অতিরিক্ত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করলে। পানি একেবারেই কম পান করলে। বয়সজনিত সমস্যার কারণে শিশু ও বৃদ্ধের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কম থাকে। এ কারণে হিট স্ট্রোক হতে পারে। নির্দিষ্ট ওষুধের কারণে কেউ কেউ এ সমস্যা পড়তে পারে।
হিট স্ট্রোক যখন হয় : সাধারণত গ্রীষ্মকালে বেশি হয়। এ সময় আর্দ্রতা বেশি থাকে। ফলে ঘাম শুকিয়ে শরীর ঠান্ডা হতে অনেক সময় লাগে। গ্রীষ্মকালে দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত সূর্যের তাপ খুব বেশি থাকায় হিট স্ট্রোক এ সময়ের মধ্যেই বেশি হয়।
হিট স্ট্রোকের প্রধান উপসর্গ : শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া। মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা। বমি বমি ভাব বা বমি। দ্রুত হৃৎস্পন্দন। শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বেড়ে যাওয়া। ত্বক শুকনো ও গরম হয়ে যাওয়া (ঘাম না হওয়া)। বিভ্রান্তি, খিঁচুনি বা অচেতন হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
চিকিৎসা : হিট স্ট্রোক একটি মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি। কেউ আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত ঠান্ডা পরিবেশে নিয়ে যেতে হবে। শরীর ঠান্ডা করা (বরফ প্যাক, ঠান্ডা পানি, ভেজা কাপড়) এবং জরুরি হাসপাতালে ভর্তি করে তরল ও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহ করা প্রয়োজন।
প্রতিরোধ : গরমে পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের পোশাক পরে থাকা বা কাজ করা অতি উত্তম। যতটা সম্ভব কড়া রোদ এড়িয়ে চলতে হবে। রোদে বের হওয়া খুব জরুরি হয়ে পড়লে অবশ্যই রোদ থেকে রক্ষা পাওয়ার মতো ব্যবস্থা করতে হবে। এই সময় অতিরিক্ত পরিশ্রম থেকে বিরত থাকতে হবে। শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থদের গরমে সতর্কতার সঙ্গে রাখা প্রত্যেকের কর্তব্য বলে মনে করে ব্যবস্থা নিতে হবে। হিট স্ট্রোক প্রতিরোধযোগ্য। তবে একবার হলে আজীবন তার ক্ষতি বয়ে নিয়ে যেতে হতে পারে। তাই আজই সতর্ক হোন। সতর্কতাই হোক রক্ষাকবচ।