ঢাকা | বঙ্গাব্দ

বৃষ্টিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন ইশরাকের অনুসারীরা

  • আপলোড তারিখঃ 22-05-2025 ইং |
  • নিউজটি দেখেছেনঃ 338050 জন
বৃষ্টিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন ইশরাকের অনুসারীরা ছবির ক্যাপশন: ১

মোঃমনিরহোসেন ://

বৃষ্টিতে অষ্টম দিনের মতো ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে বিক্ষোভ এবং  অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তার সমর্থকরা। এর আগে টানা কয়েকদিন তারা নগর ভবন অবরুদ্ধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালে রাজধানীর মৎস্য ভবন, কাকরাইল মোড়ে সরেজমিন দেখা যায়, কাকরাইল মোড় থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যেতে সড়কের ডান পাশে পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে নেতাকর্মীরা অবস্থান করছেন। বৃষ্টিও তাদের কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারেনি।

আন্দোলনকারী মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার আগ পর্যন্ত আমাদের অবস্থান চলবে। ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই আমাদের আন্দোলন চলবে।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসায় নতুন এ কর্মসূচি পালন করছেন তারা। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।

এদিকে, এই আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সর্বস্তরের কর্মচারী সমিতি। নগর ভবনের সামনে কর্মবিরতি পালন করছেন তারা।একইসঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, ময়লা পরিবহন কার্যক্রম, নাগরিক বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধসহ সব ধরনের নাগরিক সেবা বন্ধ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটির নির্বাচন হয়। বিএনপির ইশরাক হোসেনকে পৌনে ২ লাখ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র হন। গত ২৭ মার্চ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২০২০ সালের নির্বাচনে ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী ঘোষণার ফল বাতিল করে বিএনপি নেতা ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করেন ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ এবং  নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম। 

ট্রাইব্যুনালের রায়ের অনুলিপি পেয়ে গত ২২ এপ্রিল গেজেট প্রকাশের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ চায় সাংবিধানিক সংস্থাটি। এরপর ২৭ এপ্রিল ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নতুন মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।




কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
notebook

অনলাইন নিউজ পোর্টাল নয়, দেশের বড় সংবাদপত্র ও বেসরকারি টেলিভিশনেরও নিজস্ব নিউজ পোর্টাল রয়েছে। তারা মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করছে, লাইভ সম্প্রচার করছে, এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে সক্রিয়। এতে টেলিভিশন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতা যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। প্রিন্ট মিডিয়ার সংকট গত এক দশকে ডিজিটাল মিডিয়ার প্রসারের ফলে ছাপা পত্রিকার প্রচারসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে। পাঠক টানতে ইংরেজি দৈনিকগুলোকেও এখন বাংলায় সংবাদ প্রকাশ করতে হচ্ছে। এমনকি অনেক জনপ্রিয় রেডিও বন্ধ হয়ে গেছে, যেমন ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিবিসি বাংলা তাদের ৮১ বছরের রেডিও সম্প্রচার বন্ধ করে। তবে তারা অনলাইন ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যতিক্রমী কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। সাংবাদমাধ্যমের সংখ্যা ও নিবন্ধন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি, দৈনিক পত্রিকা ১,৩১১টি এবং অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন ৪৫টি। এর মধ্যে ১৭টি বেসরকারি টেলিভিশন ও ১৯৬টি দৈনিক পত্রিকার অনলাইন পোর্টাল নিবন্ধন পেয়েছে। তবে এর বাইরেও অসংখ্য অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল ও ইউটিউব চ্যানেল সংবাদ প্রচার করছে, যা অনেক সময় পাঠকদের বিভ্রান্ত করছে। ফলে সাংবাদিকদের আরও সতর্ক হতে হবে, যাতে ভুল তথ্য ছড়িয়ে না পড়ে।

notebook

খাগড়াছড়িতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি রাঙামাটি জেলা কমিটির পক্ষ থেকে এম.এন লারমা’র প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন