এমআই হৃদয় ইসলাম//
রাজধানীর কদমতলী ও ডেমরা এলাকায় ভেজাল ও নকল ঔষধ ও খাদ্য উৎপাদনকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে র্যাবের ভ্রাম্যমান আদালত অভিয়ানে প্রায় ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, নকল খাদ্য সামগ্রী জব্দ ও প্রতিষ্ঠান সীলগালা।*
র্যাব প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক, জালিয়াতি, ভেজাল ও নকল পণ্য নির্মূল- এসব ক্ষেত্রে র্যাবের সক্রিয় অভিযান সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ১৩/০৫/২০২৬ তারিখে জনাব মোঃ আবু হাসান, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, র্যাব র্ফোসেস সদর দপ্তর, কুর্মিটোলা, ঢাকা এবং জনাব এস এম হাসান সিদ্দিকী, ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার, র্যাব-১০, সিপিসি-১, যাত্রাবাড়ী ক্যাম্প মহোদয়ের নেতৃত্বে ডিএমপি, ঢাকার কদমতলী ও ডেমরা থানা এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে ভেজাল ও নকল ঔষধ এবং বিএসটিআই অনুমোদনবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ, নকল, ভেজাল ও নিম্মমানের শিশু খাদ্যসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রমাণ পাওয়া যায়। উক্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ডিএমপি, ঢাকার কদমতলী থানাধীন পূর্ব জুরাইন এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নি¤œ মানের ও মানহীন ঔষধ উৎপাদনের দায়ে ২,৫০,০০০/- (দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) এবং নকল শিশু খাদ্যসহ বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন ও প্যাকেজিংয়ের দায়ে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ টাকা) জরিমানা করা হয়। সেই সাথে ডিএমপি, ঢাকার ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে। ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) কেজি নকল ঘি এবং ১,০০০ (এক হাজার) পিস খালি বিভিন্ন নামের টিনের কৌটা জব্দ ও ধ্বংস করণপূর্বক জনপ্রিয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে নকল ঘি উৎপাদনের দায়ে একটি কারখানা সীলগালা করা হয়।
এই ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনস্বার্থে ভেজাল এবং প্রতারণামূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে র্যাবের জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে বলে জানা যায়।